ন্যাভিগেশন মেনু

‘ড. ওয়াজেদ মিয়া জাতি ও জনগণের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করেছেন’

বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়া তার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনে মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা দিয়ে দেশ, জাতি ও জনগণের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

রবিবার (৯ মে) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে দেশবরেণ্য,আন্তর্জাতিক পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ১২ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন নির্লোভ, নিরহংকার ও প্রচার বিমুখ মানুষ। একটি জাতির সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হচ্ছে শিক্ষা ও গবেষণা। ড. ওয়াজেদ মিয়া জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিজ্ঞান, শিক্ষা ও গবেষণায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। তিনি শ্রেষ্ঠতম বিজ্ঞানী হওয়া সত্তেও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন সত্বা এবং এ দেশটি অর্জনের ক্ষেত্রেও তার অবদান ছিল অপরিসীম।’

তিনি বলেন, ‘‘ড. ওয়াজেদ মিয়া দেশবরণ্য বিজ্ঞানীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন সাহসী, দেশপ্রেমিক, রাজনীতিবিদ, দায়িত্বশীল স্বামী, পিতা এবং তীক্ষ্ণ মেধাবী ছাত্র। ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী হয়েও ড. ওয়াজেদ মিয়া সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করলেও স্বপ্ন দেখতেন বড়। তিনি বলেন, ড. ওয়াজেদ মিয়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে যে স্বপ্ন ছিল তা আজ বাস্তবায়নের পথে।

পলক বলেন, শিক্ষা ও গবেষণায় ড.ওয়াজেদ মিয়ার অবদানকে ফিজিক্যালি এবং ডিজিটালি স্মরণীয় করে রাখতে রংপুর পীরগঞ্জ শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেশন এন্ড ট্রেনিং সেন্টারে ড. ওয়াজেদ মিয়া ডিজিটাল কর্ণার প্রতিষ্ঠা করা হবে। এছাড়া রংপুর হাইটেক পার্কের নাম ড. ওয়াজেদ মিয়ার নামে নামকরণ করা হবে।

 এমআইআর/এডিবি