ন্যাভিগেশন মেনু

হেফাজতের তাণ্ডবে রেলের ব্যাপক ক্ষতি: রেলের পক্ষ থেকে মামলা হয়নি

‘স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী ও ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে ’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে বাংলাদেশে দুইদিনের সফরে এসেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সফরের প্রতিবাদ জানিয়ে কট্টরপন্থী ইসলামি দল হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশে টানা চারদিন বন্ধসহ বিভিন্ন স্থাপনায় ভাংচুর,অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়। বাদ যায়নি মন্দির-শ্মশান, রেলস্টেশন ও প্রেসক্লাব পর্যন্ত। 

রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। নিহত হন ১৮ জন। হেফাজতের বিরুদ্ধে সাত মামলায় কাঠগড়ায় সাড়ে ৮ হাজার আসামি।মারাত্মক হিংসাত্মক কাণ্ড ঘটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া,  চট্টগ্রাম, মাগুরাসহ বিভিন্নস্থানে।  

বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের জনপ্রিয় বিরতিহীন সোনার বাংলা ট্রেনে গত ২৮ মার্চ হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একটি মালবাহী ট্রেনের তিনজন চালক আহত হন। ইঞ্জিন মেরামত করা হয়েছে পাহাড়তলী মার্শালিং ইয়ার্ডে।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে ২৬ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির তদন্ত এখনো শুরু করেনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। আর সোনার বাংলা ট্রেনে হামলার ১০দিন পার হলেও মামলা দায়ের করতে পারেনি রেলের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। 

হেফাজতের তাণ্ডবে রেলের ব্যাপক ক্ষতির পর মামলা না হওয়ার কারণ নিয়ে ধোয়াশা জেগেছে জনমনে।রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ঢাকা বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) দপ্তর মামলা দায়ের করার কথা। গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত মামলা দায়ের হয়নি বলে জানা গেছে। মামলা না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রেলের কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি। 

২৮ মার্চ ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনের ১৪টি কোচের ২৭৫টি জানালা ছিল। এর মধ্যে হেফাজতের তাণ্ডবে ১০৮টি জানালা ভেঙে যায়।

এস এস