ন্যাভিগেশন মেনু

হিরো আলম গান নিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা


ফেসবুক বা ইউটিউবের আলোচিত মুখ আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। শোবিজ অঙ্গনে পা রাখার পর থেকেই তাকে ঘিরে হয়েছে নানা সমালোচনা।

অভিনয়ে তার অগাধ আগ্রহকে মানুষ যেমন সাধুবাদ জানিয়েছে, তেমনই তাকে ঘিরে হয়েছে বিতর্ক। তার মাঝেই হিরো আলম নাম লেখান মূল ধারার চলচ্চিত্রে। কাজ করেন ‘মার ছক্কা’য়। 

করোনাকালীন হল বন্ধ থাকার পর তার অভিনীত, প্রযোজিত ‘সাহসী হিরো আলম’ ছবি দিয়েই খুলেছে বন্ধ সিনেমা। এখানেও তাকে ঘিরে হয়েছে সমালোচনা।

সম্প্রতি হিরো আলম নাম লিখিয়েছেন গানে। কণ্ঠ দিয়েছেন ‘হিরো আলমের বাবু খাইছো’ শিরোনামের একটি গানে। যা নিয়ে নেটদুনিয়ায় চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। 

গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত গানটি ইতিমধ্যেই দেখেছেন ১ লাখ ৪৮ হাজারেরও বেশি দর্শক। আর গানটির কমেন্ট বক্সেই দর্শক করেছেন নানা বিতর্কিত মন্তব্য। 

আসিক মিয়া নামে একজন দর্শক লিখেছেন- আমার এক বন্ধু প্রেমে ছেকা খেয়ে ৫ বছর ধরে হাসে না। এই গান শোনার পর আজ হাসি দিলো। ধন্যবাদ হিরো আলম। 

অন্য একজন লিখেছেন, কি অসাধারণ গলা আর গানের কথাগুলো, কত উন্নত মানের। কি … ছিড়লাম সারা জীবন, এইটাই বুঝলাম নাহ। এই গান শুনে ম্যারাডোনা শেষ।

আকরাম হোসেনে লিখেছেন, এই গানটা শোনার পরে ৯০% মানুষ প্রতিজ্ঞা করবে, তারা আর কখনো গান শুনবে না। বাকি ১০% আত্মহত্যা করার চেষ্টা করবে। কিন্তু একটাও মরবে না।

সাদ্দাম সানী লিখেছেন, আলম নাম্বার ১ ধর্ষক। বাংলা গানকেও ধর্ষণ করে দিলি… আর কোনো সেক্টর বাকি আছে! একজন লিখেছেন, এই গান সোনার পর অনেকেই বেঁচে থেকেও মরে গিয়েছে। 

শুধু দর্শকই নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সংগীতাঙ্গনের মানুষরাও মুখ খুলেছেন তার গানের প্রসঙ্গে। 

সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ লিখেছেন, আমার নতুন একটা শখ হয়েছে। সেই গীতিকার ও সুরকারের চেহারা দেখতে চাই, যাদের কারণে হিরো আলম গানকে ধর্ষণ করেছে।

সংগীতশিল্পী লুৎফর হাসান লিখেছেন, পাগলটা গান গাইছে ছাগলের মতো। ছাগলেরা সেটা শেয়ার করছে পাগলের মতো।

এস এস