ন্যাভিগেশন মেনু

হাতিরঝিলে নারীর মৃত্যু:

হত্যা করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো মরদেহ!

রাজধানীর হাতিরঝিলে গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত নয়, গুলশান থেকে মৃত অবস্থায়ই ঝিলিককে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিলো বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।  এ প্রসঙ্গে হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মহিউদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ঘটনাটি রহস্যজনক। তিনি জানতে পেরেছেন, গুলশান থেকে মৃত অবস্থায়ই ঝিলিককে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিলো। সাদিক ঘটনাটি আড়াল করছেন। বিষয়টি গুলশান থানার ওসিকে জানানো হয়েছে। তদন্ত করে গুলশান থানা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

অন্যদিকে, ঝিলিকের মৃত্যু দুর্ঘটনায় নয়, তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন চিকিৎসক।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসকের বরাত দিয়ে সেখানকার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া এ কথা জানিয়েছেন।

বাচ্চু মিয়া জানান, ওই নারীর পা, মাথা ও গলায় আঘাতের চিহ্ন আছে। বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করা হলে যে ধরনের লক্ষণ দেখা যায়, এখানেও সে ধরনের লক্ষণ আছে। ঝিলিকের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।

শনিবার (৩ এপ্রিল) সকালের এই ঘটনার পর স্বামী সাকিবুল আলমকে আটক করে হাতিরঝিল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি গুলশানে থাকতেন। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন সাকিবুল নিজেই।

ঝিলিকের স্বামী সাকিবুল আলম পুলিশকে বলেন, বাসা থেকে প্রাইভেটকারে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতিরঝিল আমবাগান এলাকায় রাস্তায় আইল্যান্ডের সঙ্গে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা লাগে। এতে তিনি ডান হাতে সামান্য আঘাত পান এবং গাড়িতে থাকা তার স্ত্রী ঝিলিক আলম গুরুতর আহত হন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে এলে চিকিৎসক ঝিলিককে মৃত ঘোষণা করেন। তার স্ত্রী অসুস্থ থাকায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানান তিনি।

পরে হাতিরঝিল থেকে ঝিলিককে হাসপাতালে নিয়ে আসেন হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক গোলাম কুদ্দুস।

হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘আটক সাকিবুল আলমের দাবি, তিনি তার স্ত্রীকে ডাক্তার দেখাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে তার স্ত্রী গুরুতর আহত হন এবং তিনিও আহত হন। পরে ঝিলিককে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর তিনি ওই হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

এসএ/এডিবি/