ন্যাভিগেশন মেনু

স্থগিত হলো খুলনা বিভাগের ১১৯ ইউপি নির্বাচন


করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় খুলনা বিভাগের ১১৯টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইসি সচিব মো. খন্দকার হুমায়ুন কবীর বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এসব নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। অন্যান্য বিভাগের তুলনায় বরিশাল বিভাগে সংক্রমণ সহনীয় পর্যায়ে থাকায় ভোট নির্ধারিত সময়ে হবে। তাই আইইডিসিআর কর্তৃক ঘোষিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর বাইরে বরিশালসহ সবখানে নির্ধারিত সময়ে ভোট হবে।

সভা শেষে সাংবাদিকদের ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার জানান, ২১ জুন ৩৭১টি ইউপি নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। যার মধ্যে উচ্চ সংক্রমিত ছয় জেলায় দেড় শতাধিক ইউনিয়ন রয়েছে। এ অবস্থায় এখনই ভোট না করতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও খুলনার বিভাগীয় কমিশনার।

তফসিল অনুযায়ী, একাদশ জাতীয় সংসদের খুলনা বিভাগের সকল ইউনিয়ন পরিষদ, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার ইউনিয়ন পরিষদসহ মোট ১৬৩টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাগেরহাট জেলায় ৬৮টি, খুলনায় ৩৪টি, সাতক্ষীরায় ২১টি, নোয়াখালীতে ১৩টি, চট্টগ্রামে ১২টি এবং কক্সবাজার জেলায় ১৫টি ইউনিয়ন পরিষদ।

এর আগে ১১ এপ্রিল এসব নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ ছিল। করোনা সংক্রমণ বাড়ায় গত ১ এপ্রিল থেকে সব ধরনের নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। ভোটের ১০ দিন আগে করোনা প্রকোপ দেখা দেওয়ায় নির্বাচন স্থগিত করেছিল ইসি। করোনা সংক্রমণের হার দশ শতাংশের মধ্যেই গত ২ জুন পুনরায় নির্বাচনের তারিখ দেয় ইসি।

এদিকে দেশে করোনা শনাক্তের হার ১০ শতাংশের ওপর। সীমান্তের জেলাগুলোয় সংক্রমণ হার ঊর্ধ্বমুখী। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে পাঁচ শর্ত দিয়ে দেশব্যাপী বিধিনিষেধের মেয়াদ ১৬ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার।

ওয়াই এ/ওআ