ন্যাভিগেশন মেনু

যুক্তরাষ্ট্রে জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনার টিকা অনুমোদন


করোনাভাইরাসের জন্য জনসন অ্যান্ড জনসনের তৈরি এক ডোজের টিকার অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বেলজিয়ান প্রতিষ্ঠান জ্যানসেন এটি তৈরি করেছে।

এই টিকার সুবিধা হলো, এটিকে ফ্রিজারে নয়, বরং সাধারণ রেফ্রিজারেটরেই সংরক্ষণ করা যাবে। ফাইজার ও মর্ডানার তৈরি টিকার পর দেশটিতে এ নিয়ে তৃতীয় কোন টিকার অনুমোদন দেওয়া হলো।

ফাইজার এবং মডারনার ভ্যাকসিনগুলির মতো এটি অত্যন্ত শীতল তাপমাত্রায় রাখারও প্রয়োজন হবে না। এটি গুরুতর রোগের বিরুদ্ধে ৮৫ শতাংশ কার্যকর হবে।

অন্য দুটির তুলনায় কিছুটা কম কার্যকরী হলেও এটি খুব ভালো কাজ করবে বলে জানিয়েছেন জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিন বিশেষজ্ঞ উইলিয়াম মোস।

তিনি বলেন, 'যদি এই ভ্যাকসিনের একটি মাত্র ডোজ নিলেই কাজ হয়, এবং কেবলমাত্র রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যায়, তবে এটি অনেক দেশের পক্ষে খুবই সুবিধিজনক হবে।'

পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই টিকাটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া ঠেকাতে পারে। তবে সাধারণ আক্রান্ত হওয়ার হার ঠেকাতে সক্ষম ৬৬ শতাংশ ক্ষেত্রে।

এই বছরের জুন মাস নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রকে ১০ কোটি টিকার ডোজ দিতে সম্মত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং কানাডাও এই টিকার জন্য চাহিদা জানিয়েছে। পাশাপাশি দরিদ্র দেশগুলোকে দেওয়ার জন্য যে কোভ্যাক্স প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, সেই প্রকল্পে ৫০ কোটি টিকা কেনার চাহিদা দিয়েছে।

এই টিকার অনুমোদনকে স্বাগত জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, 'সব আমেরিকানের জন্য এটা একটা চমৎকার সংবাদ এবং উৎসাহব্যঞ্জক অগ্রগতি''। সেই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, 'লড়াই শেষ হতে এখনো অনেক বাকি।’

বাইডেন বলছেন ,'আমি আগেও অনেকবার যেমন বলেছি, ভাইরাসের নতুন ধরনের কারণে পরিস্থিতি আবারো খারাপ হয়ে উঠতে পারে এবং বর্তমান অগ্রগতি পাল্টেও যেতে পারে।'

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বের ৭ হাজার ৮০০ কোটি মানুষের কাছে টিকা পৌঁছাতে বিশ্বজুড়ে আরও অনেক ভ্যাকসিন কারখানার প্রয়োজন হবে।

সিবি/এডিবি