ন্যাভিগেশন মেনু

মহাত্মা গান্ধীর নাতনির মেয়ের ৭ বছরের কারাদণ্ড

দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানের একটি আদালত জালিয়াতির মামলায় মহাত্মা গান্ধীর নাতনির মেয়ে আশীষ লতা রামগোবিনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

সোমবার (৭ জুন) আদালত এই দণ্ড ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছে ভারতের সংবাদসংস্থা পিটিআই।

পিটিআই জানায়, ভারত থেকে তিনটি কন্টেইনারের আমদানি শুল্কের জন্য গান্ধীর নাতনির মেয়ে আশীষ লতা রামগোবিনকে ৬.২ মিলিয়ন র‌্যান্ড (দক্ষিণ আফ্রিকায় মুদ্রা) দিয়েছিলেন এস আর মহারাজ নামে এক ব্যবসায়ী। কিন্তু এই কন্টেইনারের কোনও অস্তিত্বই ছিল না। রামগোবিন তাকে লাভের অংশ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

২০১৫ সালে মামলার যখন শুনানি শুরু হয়েছিল, তখন ন্যাশনাল প্রসিকিউটিং অ্যাজেন্সির ব্রিগেডিয়ার হ্যাঙ্গওয়ানি মুলাউডজি জানিয়েছিলেন, ভুয়া ইনভয়েস এবং নথি দিয়ে লতা বিনিয়োগকারীদের আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, ভারত থেকে রেশমের তিনটি কন্টেইনার আসছে। সেই শুনানির সময় ৫০ হাজার র‌্যান্ডের ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেয়েছিলেন।

তারপর সোমবার (৭ জুন) শুনানিতে আদালতকে জানানো হয়, ২০১৫ সালের অগস্টে নিউ আফ্রিকা অ্যালায়েন্স ফুটওয়ার ডিস্ট্রিবিউশনের মালিক মহারাজের সঙ্গে কথা হয় লতার। তিনি মহারাজকে জানান, দক্ষিণ আফ্রিকার হাসপাতাল গ্রুপ নেটকেয়ারের জন্য রেশনের তিনটি কন্টেইনার এনেছেন। কিন্তু আর্থিক সমস্যার দরুণ আমদানি শুল্ক দিতে পারছেন না। বন্দর থেকে কন্টেইনার নিতে তার অর্থের প্রয়োজন আছে।

ন্যাশনাল প্রসিকিউটিং অ্যাজেন্সির মুখপাত্র নাতাশা কারা জানান, পারিবারিক পরিচিতি এবং নেটকেয়ারের নথির ভিত্তিতে ঋণের জন্য লতার সঙ্গে লিখিত চুক্তি স্বাক্ষর করেন মহারাজ। কিন্তু পরে মহারাজ জানতে পারেন, লতার যাবতীয় নথি জাল এবং নেটকেয়ারের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। তারপরই আইনি পথে হাঁটেন মহারাজ। সুত্র: ওপি ইন্ডিয়া

এডিবি/