ন্যাভিগেশন মেনু

ভারতে তুষারধস: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪, নিখোঁজ ১৭০

ভারতের উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে তুষারধসে এখন পর্যন্ত ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছে প্রায় ১৭০ জন। এরমধ্যে তপোবন লাগোয়া এলাকায় একটি সুড়ঙ্গে আটকে পড়েছিলেন ১৬ জন শ্রমিক। তাদের সবাইকে জীবিত উদ্ধার করেছেন ইন্দো-টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশের (আইটিবিপি) জওয়ানরা। এ ছাড়াও আরও কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে আইটিবিপি ডিরেক্টর জেনারেল এসএস দেশওয়াল এ হতাহতের খবর জানিয়েছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে হিন্দুস্তান টাইমস।

রবিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই তুষারধসের ঘটনা ঘটে।

উত্তরাখণ্ড পুলিশের ডিজি অশোক কুমার জানিয়েছেন, মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং জলস্রোতের কারণে যে বড় সুড়ঙ্গগুলির মুখ বুজে গিয়েছে, সেগুলি খোলার চেষ্টা চলছে।

চামোলি পুলিশের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে বিধ্বস্ত দেবভূমিতে রেইকি চালিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। সেই রিপোর্ট অনুযায়ি, তপোবন জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র (হৃষিগঙ্গা প্রকল্প) পুরোপুরি ধুয়েমুছে গিয়েছে। ঘটনাস্থলের কমপক্ষে চারটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই তালিকায় আছে তপোবনের এনটিপিসি বিষ্ণুগড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

এসএস দেশওয়াল জানান, উদ্ধার চালাচ্ছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (এসডিআরএফ), ইন্দো-টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশের (আইটিবিপি) এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী (এনডিআরএফ)। তাছাড়া, ভারতীয় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবেলা দলের সদস্যদের দেরাদুন থেকে জোশীমঠ পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনার হেলিকপ্টার এবং প্লেন।

আইটিবিপির মুখপাত্র বিবেক পাণ্ডে জানিয়েছেন, দ্বিতীয় একটি সুড়ঙ্গে অভিযান চলছে। সেখানে প্রায় ৩০ জন আটকে আছেন বলে খবর মিলেছে। সেখানে ৩০০ জনের মতো আইটিবিপি জওয়ানকে মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে যে এখনও ১৭০ জনের মতো মানুষের খোঁজ মিলছে না।

সিবি/এডিবি