ন্যাভিগেশন মেনু

বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশের পাশে থাকবে ভারত: জয়শঙ্কর

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফর চূড়ান্ত করতে বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) ঢাকায় এসেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) সকালে বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছানোর পর দুপুর সোয়া ১২টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন তিনি।

এসময় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, ‘বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশের পাশে থাকবে ভারত। আর এ দুদেশের মধ্যে উন্নয়নকে কেন্দ্র করে অনেক সম্ভাবনা আছে। সেটা খুঁজে বের করতেই এ সফরে আসা।’

এ সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে নিরাপত্তা, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, বাণিজ্য, পারস্পরিক সম্পর্কোন্নয়নসহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’

এস জয়শঙ্কর উন্নয়নশীল দেশের স্ট্যাটাস পাওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ সম্পূর্ণ নিজের কাজ ও যোগ্যতায় এটি অর্জন করেছে।’

তিনি আরো বলেন, আমরা একসঙ্গে সীমান্ত হত্যা বন্ধে সফল হবো- এ বিষয়ে আমাদের আলোচনা চলছে।’

তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারত সরকার যে আশ্বাস দিয়েছিল সেই অবস্থানের পরিবর্তন হবে না বলেও জানান তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার (৩ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল বৈঠকের পর জয়শঙ্কর ঢাকা সফর করছেন। এ সফরে তিনি দুই দেশের সম্পর্ক পর্যালোচনার সুযোগ পাবেন।

এর আগে ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার ঢাকা সফর করেন এস জয়শঙ্কর। এ বছরে জানুয়ারিতে দিল্লি সফর করেন বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

এর আগে বুধবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের বিভিন্ন দিক নিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “সামনে আমাদের মুজিববর্ষের চলমান কর্মসূচির অংশ হিসাবে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ বেশ কিছু অনুষ্ঠান সাজানো হচ্ছে। সেটা সামনে রেখে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর একটি সফর হওয়ার কথা রয়েছে। এগুলো নিয়ে আলাপ করার জন্য ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে এসেছেন।”

মোদীর সফর ঘিরে যোগাযোগ বা ‘কানেক্টিভিটির’ ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়টি জোর পেয়েছে মন্তব্য করে শাহরিয়ার আলম বলেন, “যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা।”

ওয়াই এ/ ওআ