ন্যাভিগেশন মেনু

বরগুনায় ৯ মাস পর কবর খুঁড়ে মরদেহ উত্তোলন


বরগুনার নাসির হত্যাকাণ্ডের তদন্তের অংশ হিসেবে ময়নাতদন্তের জন্য নয়মাস পর কবর খুঁড়ে মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের বরইতলা এলাকায় নিহত নাসিরের বাড়িতে দাফন করা কবর থেকে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, চিকিৎসক ও পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

নিহত নাসির বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের গোলবুনিয়া এলাকার গয়েজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি গালবুনিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।

গ্রেপ্তার ফাতেমা মিতু বরগুনা সদর উপজেলার আয়লা-পাতাকাটা এলাকার মোঃ মাহতাব মৃধার মেয়ে। তিনি বরগুনার থানাপাড়া এলাকায় বাবার ভাড়াবাসায় বসবাস করতেন। রাজু মিয়া ঢলুয়া ইউনিয়নের গুলবুনিয়া এলাকার বারেক মিয়ার ছেলে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মরদেহের অবশিষ্টাংশ উত্তোলন করে বরগুনা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করা হবে। পরে ফরেনসিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।

বরগুনার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক ইয়াসিন আরাফাত মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ দেন।

২০২০ সালের ২৩মে রাতে বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের গুলবুনিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসির হাওলাদার নিজ বাড়িতে মারা যান। মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিলো স্ট্রোক। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই তার মরদেহ দাফন সম্পন্ন করেন নাসিরের স্বজনরা।

এ ঘটনার নয় মাস গত ১০ ফেব্রয়ারি একটি মোবাইল ফোনে নাসিরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার কথোপকথনের রেকর্ড ফাঁস হয়। ওই রেকর্ড পুলিশের কাছে পৌঁছানোর পর নাসিরের ভাই আবদুল জলিল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ নাসিরের স্ত্রী ফাতেমা মিতু (২৪) এবং মিতুর পরকীয়া প্রেমিক রাজু মিয়াকে (২০) আটক করে। আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী মিতু ও তার সহযোগী রাজু হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

সিবি/এডিবি