NAVIGATION MENU

পাকিস্তানে বিমান বিধ্বস্ত, ৩৫ মরদেহ উদ্ধার


পাকিস্তানের করাচিতে  ১০৭ জন যাত্রী নিয়ে  একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের (পিআইএ) একটি উড়োজাহাজ করাচিতে একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হওয়ার বিমানের ধ্বংসাবশেষ থেকে ৩৫ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।  খবর দ্যা ডন’র।

লাহোর থেকে করাচিগামী বিমানটি স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে বিধ্বস্ত হয়। করাচি বিমানবন্দরে অবতরণের আগ মুহূর্তে বিমানটি ‘মডেল কলোনি’ আবাসিক এলাকার কাছে এসে দ্রুত নীচে নেমে যায় এবং কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে এটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এয়ার বাস এ ৩২০ মডেলের বিমাটি বিধ্বস্ত হওয়ার কিছুক্ষণ আগে যান্ত্রিক ত্রুটির কথা জানিয়েছিল। কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে এ সময় পাইলটকে জানানো হয় বিমানবন্দরের দু’টি রানওয়েই উন্মুক্ত রয়েছে তিনি যে কোনো একটিতে অবতরণ করতে পারেন। কিন্তু পাইলট তা না করে মধ্য আকাশে বিমানের গতি পরিবর্তন করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাস্থল থেকে কালো ধোঁয়া উড়তে এবং মানুষকে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিমানটি প্রায় পাঁচটি বাড়ি জুড়ে বিধ্বস্ত হয় এবং এসব বাড়িতেও আগুন ধরে গেছে। এ ঘটনায় হতাহতের বিবরণ এখনো প্রকাশিত হয়নি। বিমানের কিছু যাত্রীর বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে পাকিস্তানের একাধিক গণমাধ্যম। 

উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে জাফর মাসুদ নামে একজন ব্যাংক কর্মকর্তা ও মেহাম্মদ জুবায়ের নামে অপর একজন যাত্রী রয়েছেন। বেঁচে যাওয়া দুই যাত্রীর অবস্থা গুরুতর বলে জানানো হয়েছে। সিন্দু প্রদেশের তথ্য মন্ত্রী নাসির হুসায়েন শাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এধি ফাইন্ডেশনের মুখপাত্র সাদ এধি জানিয়েছেন, তারা বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ জনের মরদেহ নিয়ে গেছেন। এ ছাড়া আবাসিক এলাকার ২০-২৫ জন আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিহত ও বেঁচে যাওয়া সংখ্যার বিষয়ে এখনই কিছু বলা যায় না।

এদিকে দুর্ঘটনার পরপরই সিন্ধু স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা কল্যাণমন্ত্রী করাচির সব বড় হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। শাকিল আহমেদ নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, বিমানবন্দর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে মোবাইল টাওয়ারের সঙ্গে সংর্ঘষ হয়। পরে এটি আবাসিক ভবনের ওপর আছড়ে পড়ে।

ওআ/