ন্যাভিগেশন মেনু

পহেলা বৈশাখ আজ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ শুরু


পহেলা বৈশাখ আজ। ১৪২৮ বঙ্গাব্দ শুরু। বাংলা বর্ষবরণের দিন, বাঙালির সর্বজনীন উৎসবের দিন আজ। তাই জীর্ণ পুরোনোকে বিদায় আর নতুনকে বরণের প্রস্তুতিতে আজ মুখর থাকার কথা সারা বাংলার মানুষের। কিন্তু মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বর্ষবিদায় ও নববর্ষবরণের সব আয়োজনই বন্ধ। 

চৈত্রসংক্রান্তি ও পহেলা বৈশাখ দিন দুটি আবহমান বাংলার চিরায়ত নানা ঐতিহ্যকে ধারণ করে আসে। প্রতি বছর নাচ, গান, আনন্দ-উল্লাসসহ নানা আয়োজনে পুরোনো বছরকে বিদায় ও নববর্ষকে স্বাগত জানালেও বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে গত বছরের মতো এবারও চৈত্রসংক্রান্তিতে ছিল না কোনো আয়োজন, আজ পহেলা বৈশাখেও থাকছে না কোনো কার্যক্রম।

করোনার কারনে গত বছরের মতো এবারও বর্ষবরণ উৎসবে সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে লোকসমাগম এড়িয়ে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা বলা হয়েছে।

একাত্তরের পর গতবছর প্রথম রমনার বটমূলে ছায়ানটের নববর্ষের অনুষ্ঠান হয়নি। এ বছরও থাকছে না ছায়ানটের আয়োজন। এবারও পহেলা বৈশাখে হচ্ছে না মঙ্গল শোভাযাত্রা।

শিল্পকলা অ্যাকাডেমি, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, চারুকলা অনুষদেও থাকছে না কোনো আয়োজন। চ্যানেল আই ও সুরের ধারা প্রতি বছর যৌথ আয়োজনে চৈত্রসংক্রান্তিকে বিদায় জানিয়ে বাংলা নববর্ষকে বরণে এগিয়ে এলেও মহামারি পরিস্থিতিতে জনসাধারণের নিরাপত্তার কথা ভেবে এবারও তারা অনুষ্ঠান আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তবে ‘এসো হে বৈশাখ’ বলে আনন্দ আয়োজনে মত্ত হতে না পারলেও বাঙালির অন্তরে জাগরূক পহেলা বৈশাখ। আগামী বছর থেকে রঙিন এবং আরো বড় পরিসরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে চৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উদ্যাপনের স্বপ্ন দেখছেন সংস্কৃতিমনা মানুষ। পুরোনো বছরের জরাজীর্ণতার সঙ্গে নিপাত যাক মহামারির ঘাতক ভাইরাস, নতুন বছরে এমন প্রত্যাশা সবার।

এডিবি/