ন্যাভিগেশন মেনু

পশ্চিমবঙ্গে ফের রদবদল, অপসারিত কলকাতার ৮ রিটার্নিং অফিসার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে চলছে বিধানসভা নির্বাচন। শুরু হয়েছে ১ এপ্রিল থেকে। আটদফায় নির্বাচন শেষে ২ মে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। মঙ্গলবারই (৬ এপ্রিল) ছিল তৃতীয় দফার নির্বাচন।

এদিনই ভোট সংক্রান্ত বিষয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন। একসঙ্গে সরিয়ে দেওয়া হল কলকাতার আটজন রিটার্নিং অফিসারকে। বিবৃতি দিয়ে এই খবর জানাল নির্বাচন কমিশন।

এই রদবদল নিয়ে এরআগে আপত্তি জানিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ- কেন্দ্রে শাসিত দলের অঙ্গুলিহেলনে নির্বাচন কমিশন এসব করছে।

নির্বাচন কমিশনের মতে, পরপর তিন বছর কেউ এক পদে থাকতে পারেন না। সেক্ষেত্রে সেইক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়াই নিয়ম। কিন্তু এতদিন কলকাতার ক্ষেত্রে সেই নিয়ম কার্যকর করা হয়নি।

কমিশন এবার সেই বিধিই কার্যকর করা হল। আর তাই সরানো হয়েছে ওই আট রিটার্নিং অফিসারকে। অবশ্য বিভিন্ন সময়ে ওই আট কর্মকর্তার উপর পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছিল।

তাঁদের কাছে বিভিন্ন সময়ে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছিল। কিন্তু কোনও সময়ই তাঁরা সেই অভিযোগগুলির প্রতি গুরুত্ব দেননি। এরপরই সেই খবর পৌঁছায় নির্বাচন কমিশনের কাছে।

খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসেন কমিশনের কর্মকর্তারা। ওই আটজন অফিসারকে শো-কজ করা হয়। তারপরই মূলত তাঁদের অপসারণের সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। ওই আটজনের পরিবর্ত হিসেবে নতুন রিটার্নিং অফিসারও নাকি ঠিক করে ফেলা হয়েছে।

কমিশনের তরফে খবর, কলকাতার মোট আটটি বিধানসভা এলাকার রিটার্নিং অফিসারকে অপসারিত করা হয়েছে। এগুলি হল- কলকাতা বন্দর, জোড়াসাঁকো, ভবানীপুর, এন্টালি, চৌরঙ্গী, বেলেঘাটা, শ্যামপুকুর, কাশীপুর-বেলগাছিয়া।

অর্থাৎ কলকাতার ১১টি আসনের মধ্যে আটটিরই রিটার্নিং অফিসারকে সরিয়ে দিল কমিশন। এই কেন্দ্রগুলিতে এবার একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী ভোটে দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যে কলকাতা পোর্ট বা বন্দর আসন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী আবার ফিরহাদ হাকিম।

তবে তাঁর এলাকার রিটানিং অফিসারকেও অপসারিত করা হয়েছে। তবে এই প্রথম নয়, ভোট ঘোষণার পর থেকেই একাধিক ক্ষেত্রে এই ধরনের বদল এনেছে নির্বাচন কমিশন। এমনকী বদলানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং এডিজি আইনশৃঙ্খলাকেও।

এডিবি/