ন্যাভিগেশন মেনু

পঞ্চম ধাপের দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৭৫৯ রোহিঙ্গা ভাসানচরে পৌঁছেছে


নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তরের পঞ্চম ধাপের দ্বিতীয় পর্যায়ে এক হাজার ৭৫৯ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী ভাসানচরে পৌঁছেছে।

বৃসস্পতিবার (৩ মার্চ) দুপুর ২টায় নৌবাহিনীর পাঁচটি জাহাজে করে তারা ভাসানচরে এসে পৌঁছান।

এর আগে চট্টগ্রামের বিএফ শাহিন কলেজের অস্থায়ী ট্রানজিট ক্যাম্প থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে রোহিঙ্গাদের নিয়ে আসা হয় পতেঙ্গা বোর্টক্লাব জেটিতে। এরপর সেখান থেকে নৌবাহিনীর ৫টি জাহাজে করে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাওয়া নোয়াখালীর ভাসানচরে। 

এ নিয়ে পঞ্চম ধাপে দ্বিতীয় দিনে ভাসানচরে গেল এক হাজার ৭৫৯জন রোহিঙ্গা। এর আগে বধুবার ভাসানচরে যায় দুই হাজার ২৫৭জন।

কক্সবাজারের আরআরআরসি কার্যালয় সূত্র জানায়, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চার দফায় কক্সবাজারের ক্যাম্প থেকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে ৯ হাজার ৫৪০ জন রোহিঙ্গা।

৫ দফায় ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে ১৪ হাজার ২৯ জন রোহিঙ্গাকে। এর মধ্যে গত ৪ ডিসেম্বর প্রথম দফায় স্থানান্তর করা হয় ১ হাজার ৬৪২ জন, ২৯ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় ১ হাজার ৮০৪ জন, চলতি বছরের ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি তৃতীয় দফার স্থানান্তর করা হয়েছে ৩ হাজার ২৪২ জনকে, গত ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি চতুর্থ দফায় প্রথম ধাপে দুই হাজার ১০ জন ও দ্বিতীয় ধাপে ভাসানচরে পৌঁছেছেন আরও ১ হাজার ৯ রোহিঙ্গা। এ ছাড়াও সমুদ্র পথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় উদ্ধার ৩০৬ জন রোহিঙ্গাকেও ভাসানচরে নেওয়া হয়। আর পঞ্চম ধাপের প্রথম পর্যায়ে দুই হাজার ২৫৭ জন ও দ্বিতীয় পর্যায়ে এক হাজার ৭৫৯ জন ভাসানচরে পৌঁছেছে। 

স্বরাষ্ট্র, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ি, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা ২০২০ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত হিসেব মতে রোহিঙ্গার সংখ্যা বর্তমানে ১১ লাখ ১৮ হাজার ৫৭৬ জন।

গেল বছরের ৪ ডিসেম্বর প্রথম দফায় ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হয় এক হাজার ৬৪২ জনকে। এরপর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচ দফায় ভাসানচরে স্থানান্তর করা হলো ১৪ হাজারের বেশী রোহিঙ্গাকে।

কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা এসব রোহিঙ্গারা জানান, ক্যাম্পের সার্বিক পরিস্থিতি ভালো না হওয়ায় তারা ভাসানচরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়ার পর কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে যেসব শিশুর জন্ম হয়েছে তাদের ভবিষ্যত নিয়েও চিন্তিত রোহিঙ্গারা। বাংলাদেশে অবস্থান আশ্রয় নেয়া মায়ানমারের বাস্তুচ্যুত এসব রোহিঙ্গা ফিরে যেতে চান নিজ দেশে। তবে, এ জন্য পরিবেশ তৈরীর কথা বলছেন তারা।

এডিবি/