ন্যাভিগেশন মেনু

নির্ধারিত স্থানে বসবে কোরবানির পশুর হাট : এলজিআরডি মন্ত্রী


আসন্ন ঈদুল আযহায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত স্থানে কোরবানির পশুর হাট বসবে। এর বাইরে কোথাও পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

রবিবার (১৩ জুন) ঈদুল আযহা-২০২১ উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট ব্যবস্থাপনা, নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাই এবং কোরবানির বর্জ্য অপসারণের প্রস্তুতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।

এ সময় এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পশুর হাট বসানোর জন্য গত বছর গণমাধ্যমে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এ বছরও এটি করা হবে। সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেই চলতি বছর পশুর হাট বসানো হবে।’

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক জায়গায় সড়ক-মহাসড়ক এবং রেল লাইনের ওপরে কোরবানির পশুর হাট বসানো হয়। কর্তৃপক্ষ এসব জায়গায় হাট বসানোর ইজারা দেয় না। রাস্তার ওপরে পশুর হাট বসানো অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।’

কোরবানি দেওয়ার পরপরই দ্রুত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, পৌর মেয়রসহ উপজেলা ও ইউপির সব জনপ্রতিনিধিরা স্ব স্ব উদ্যোগে দ্রুত সময়ে বর্জ্য অপসারণ করবেন।’

কোনো অবস্থাতেই যেন ভারত থেকে বৈধ-অবৈধভাবে মানুষ এবং পশু না আসে, সেজন্য স্ব স্ব এলাকার জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্টদের শক্ত অবস্থানে থেকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ভারতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় দেশটি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ হওয়ায় আমাদের দেশেও কিছু কিছু এলাকায় বিশেষ করে সীমান্তে এ ভ্যারিয়েন্ট দেখা দিয়েছে।’

এমআইআর/এডিবি/