ন্যাভিগেশন মেনু

দুদকের চিঠি পৌঁছানোর আগে বেনাপোল দিয়ে বিদেশ পালান পি কে হালদার

প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নয়, যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সড়ক পথে বিদেশে পালিয়ে গেছেন বলে তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) ইমিগ্রেশন শাখা।

সোমবার (১ মার্চ) ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর বিকেল ৩টা ৩৮ মিনিটে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যান পি কে হালদার। যদিও পালিয়ে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই পি কে হালদার যাতে বিদেশ যেতে না পারেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এমন চিঠির কপি পায় বেনাপোল স্থলবন্দরে দায়িত্বরত ইমিগ্রেশন পুলিশ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলছেন, চিঠিটি যখন ইমিগ্রেশনের হাতে পৌঁছে এর ১৩ মিনিট আগে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়েন প্রশান্ত কুমার হালদার।

পিকে হালদারের পালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে দুদকের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উচ্চ আদালত। প্রশ্নের মুখে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের ভূমিকাও।

দুদক আইনজীবীর দাবি, পিকের পালিয়ে যাওয়া নিয়ে দুদকের কোনো দায় নেই।

ইমিগ্রেশন পুলিশের এ রিপোর্ট আগামী ১৫ মার্চ দাখিল করা হবে হাইকোর্টে। এরপরই নির্ধারিত হবে কার দায়ে সেদিন পালিয়ে গেলেন পিকে হালদার।

ওআ/