ন্যাভিগেশন মেনু

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হলো আরিচা-কাজিরহাট নৌরুট


দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে দুই যুগ পর চালু হলো আরিচা-কাজিরহাট নৌরুট। ফের এই নৌরুট চালু হওয়ায় যাত্রী ও যানবাহনের শ্রমিকদের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নৌ প্রতিমন্ত্রী এ নৌরুট উদ্বোধন করেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘দুই যুগ পর চালু হলো আরিচা-কাজিরহাট নৌরুট। এতে আনন্দিত যমুনা পারের মানুষ ও এ নৌরুটের যাত্রীরা। এখন থেকে তারা দ্রুত সময়ে রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। বর্তমানে বেগম রোকেয়া, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ও কেতকী দিয়ে এ রুটের যাত্রা শুরু হলো। প্রয়োজনে এ রুটে ফেরি আরও বাড়ানো হবে।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নৌ প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী ছাড়াও স্থানীয় এমপি নাঈমুর রহমান দুর্জয়সহ বিআইডব্লিউটির চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আরিচা-কাজিরহাট নৌরুট চালুর জন্য গত তিন মাস আগে থেকে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ড্রেজিংসহ মার্কিং পয়েন্ট ও বিকন বাতি স্থাপন করাসহ সকল কাজ সম্পন্ন করে বিআইডব্লিউটিএ।

আরিচা-কাজিরহাট ফেরিরুটের দূরত্ব ১৪ কিলোমিটার। আরিচা থেকে কাজিরহাট যেতে সময় লাগবে দেড় ঘণ্টা। কাজিরহাট থেকে আরিচা আসতে সময় লাগবে এক ঘণ্টা ১০ মিনিট। এ রুটে বড় বাসের ভাড়া ২ হাজার ৬০, ট্রাকের ভাড়া ১ হাজর ৪০০, মাইক্রোবাসের ভাড়া এক হাজার, ছোট গাড়ির ভাড়া ৬৮০, মোটরসাইকেলের ভাড়া ১০০ এবং যাত্রীর ভাড়া ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পদ্মা-যমুনার নাব্যতা সংকট ও দূরত্ব কমানোর জন্য ২০০১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আরিচা থেকে ঘাট স্থানান্তর করা হয়। এর পর থেকে ধীরে ধীরে আরিচা ঘাট কর্মচাঞ্চল্য হারায়।

এমআইআর /এডিবি