NAVIGATION MENU

তরুণী ধর্ষণ-হত্যায় অভিযুক্ত ৪ জনই পুলিশের গুলিতে নিহত


ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাজধানী হায়দারাবাদে গণধর্ষণের পর তরুণী পশু-চিকিৎসক হত্যায় অভিযুক্ত চারজনই পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে।

শুক্রবার ভোররাতে পুলিশের এনকাউন্টারে তাদের মৃত্যু হয়। শাদনগরের যে রাস্তায় ওই চিকিৎসকের অগ্নিদগ্ধ দেহ পাওয়া গিয়েছিল, সেখানেই এই ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। সেখান থেকেই পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। তারপরই পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় তাদের।

ধর্ষিতা চিকিৎসকের বাবা বলেন “আমার মেয়ের মৃত্যুর ১০ দিন পেরিয়ে গেছে। পুলিশ এবং সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমার মেয়ের আত্মা নিশ্চয় এবার শান্তি পাবে।”

নিহতরা হল- মহম্মদ আরিফ (২৬), জল্লু শিবা (২০), জল্লু নবীন (২০) এবং চিন্তকুন্ত চেন্নাকেশভুলু (২০)। তারা চারজনই ট্রাকের কর্মী।

প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিন ধরেই তেলেঙ্গানা ধর্ষণ-কাণ্ডে উত্তাল গোটা ভারত। অভিযুক্তদের কড়া শাস্তির দাবি জানানো হচ্ছিল সব মহল থেকেই। এমনকি তাদের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানান জয়া বচ্চনসহ একাধিক সাংসদ।

গণধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে গত সোমবারই দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। কালো ব্যান্ড এবং ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখান অনেকে।

সাইবারাবাদ পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই তরুণীর স্কুটারের চাকা পাংচার করে দেয় ওই চার অভিযুক্ত। এরপর তাকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেয়। টোল প্লাজার কাছে একটি জায়গায় টেনে নিয়ে যাওয়া হয় ওই তরুণীকে।

সেখানেই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। শ্বাসরোধ করে তরুণীকে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এরপর তার দেহ জ্বালিয়ে দেয় অভিযুক্তরা। ২৬ বছরের ওই তরুণীর আধপোড়া দেহাংশ উদ্ধারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে সাইবারাবাদ পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুন, ৩৭৫ ধারায় ধর্ষণ ও ৩৬২ ঝারায় অপহরণের অভিযোগ আনা হয়।

ওআ / এস এস