NAVIGATION MENU

ট্রাক থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার, ড্রাইভার হেলপার আটক


রংপুর শহরে একটি ট্রাকের কেবিন থেকে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাহমুদা আক্তার মৌসুমী নামের ওই তরুণী ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তার বাড়ি লালমনিরহাটের পাটগ্রামের আমবাড়ি এলাকায়।

শুক্রবার (২২ মে) নগরীর তাজহাট এলাকার ক্যাডেট কলেজের সামনে গরুর মশারি নিয়ে আসা একটি ট্রাক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়েছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকনউদ্দিন জানান, ট্রাকের চালক আজিজুল ও হেলপার রতনকে আটক করা হয়েছে। তারা বলছেন, লালমনিরহাটের বুড়িমারীর শফিকুল ইসলাম নামের এক ড্রাইভার ফোন করে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় টঙ্গীর হারিকেন এলাকা থেকে ওই তরুণীকে ট্রাকের কেবিনে উঠায়। এরপর তাকে নিয়ে ঢাকায় গাউছিয়া হয়ে মুন্সীর পাম্পে গিয়ে ট্রাকে গরুর মশারি ভর্তি করে রংপুরের উদ্দেশে রওনা দেন।

ফেরার পথে আব্দুল্লাহপুরে এসে ওই ট্রাকে ওঠেন আজিজুলের ভাতিজা বদি মিয়া। চান্দুরা এলাকা পার হওয়ার পর বদি জানান, মেয়েটি মারা গেছেন। শুক্রবার সকাল সাতটায় রংপুর ক্যাডেট কলেজের সামনে এসে  ট্রাকটি দাঁড় করায় ড্রাইভার।পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত না করে বুড়িমারীতে মেয়েটির পিতা মোস্তফাকে জানান। 

মৌসুমীর পিতার অভিযোগ, তার মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ট্রাকের কেবিনের ভেতরে রাখা হয়েছে। পরে তিনি মেয়ের মরদেহ না নিয়েই পাটগ্রাম ফিরে যান।

তাজহাট থানার ওসি জানান, ওই তরুণী করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন, নাকি তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে - ময়নাতদন্তের পর বোঝা যাবে। ওই ট্রাকে খাদ্য পরিবহনের সাইনবোর্ড থাকলেও এটি দিয়ে গরুর মশারি নিয়ে আসা হয়েছিল।

এডিবি/