ন্যাভিগেশন মেনু

চিনা সিনোফার্মের ভ্যাকসিনের অনুমোদন

চিনের প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের তৈরি করোনা ভ্যাকসিন জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এটি কোনও পশ্চিমা দেশের বাইরে তৈরি করা প্রথম টিকা যা ডব্লিউএইচও'র অনুমোদন পেয়েছে।

শুক্রবার (৭ মে) বিবিসি'র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ফাইজার, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জনসন অ্যান্ড জনসন ও মডার্নার তৈরি ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে। এবার চিনের সিনোফার্মের তৈরি ভ্যাকসিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেয়েছে।

ইতোমধ্যে চিন এবং অন্য আরও কয়েকটি দেশে লাখ লাখ মানুষকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানা যায়, জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থাটির অনুমোদিত ভ্যাকসিনটি দুই ডোজের। চিনে এ ভ্যাকসিন ব্যাপক প্রয়োগ হচ্ছে। এর বাইরে এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকার প্রায় ৪৫টি দেশে সিনোফার্মের ভ্যাকসিন ইতোমধ্যে প্রয়োগ হচ্ছে।

এদিকে গত ২৯ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারও সিনোফার্মের ভ্যাকসিন জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। সিনোফার্মের তৈরি করোনাভাইরাসের এই ভ্যাকসিনের আনুষ্ঠানিক নাম বিবিআইবিপি-সিওরভি (BBIBP-CorV)।

এ ভ্যাকসিন ২৮ দিনের ব্যবধানে দুই ডোজ করে নিতে হয়। পরীক্ষামূলক প্রয়োগে এ ভ্যাকসিন ৭৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ কার্যকরিতা দেখিয়েছে বলে জানিয়েছে উৎপাদনকারীরা।

তবে শুক্রবার ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, বেইজিং ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্ট উৎপাদিত সিনোফার্মের টিকা 'সুরক্ষা, কার্যকারিতা এবং গুণমান' বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ডব্লিউএইচও জানায়, এই ভ্যাকসিন যোগ করার ফলে স্বাস্থ্যকর্মী এবং ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা পেতে চাইছেন এমন দেশগুলিতে কোভিড-১৯  ভ্যাকসিন অ্যাক্সেস দ্রুততর করার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ভ্যাকসিন ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য দুটি ডোজ নেওয়া উচিত বলে পরামর্শ দিয়েছে।

সিনোভ্যাক দ্বারা নির্মিত আরও একটি চিনা ভ্যাকসিন ও রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি ভ্যাকসিন অনুমোদনের জন্য মূল্যায়নাধীন রয়েছে।

সিবি/এডিবি/