ন্যাভিগেশন মেনু

চট্টগ্রামে করোনার যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত


দেশে এখনো ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত না হলেও যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্টের মাধ্যমেই বাংলাদেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিস্তার ঘটেছে। এটিই তৃতীয় ওয়েভের কারণ হতে পারে বলে শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

গত মার্চ থেকে বাংলাদেশে কোভিড-১৯ রোগের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভাইরাসের কোন ভেরিয়েন্ট এ ঢেউয়ের জন্য দায়ী, তা নির্ণয়ে স্বল্প পরিসরে কাজ শুরু করে চট্টগ্রামের ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সাইসেন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) গবেষকরা।

গত এক মাসে করোনাভাইরাসের নতুন আরও ১০টি জীবন রহস্য উন্মোচন করেছেন সিভাসু'র গবেষকরা।

এ নমুনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৫ এপ্রিলের আগ পর্যন্ত সম্ভবত ছয়টি যুক্তরাজ্যের এবং ৩টি দক্ষিণ আফ্রিকান ভেরিয়েন্ট, বাকি একটি অস্ট্রেলিয়ান ছিল।

করোনার এখনকার সংক্রমণের জন্য ৬০ শতাংশ যুক্তরাজ্যের আর ৩০ শতাংশ দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট দায়ী।

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ বলেন, ‘ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টটা যদি আমাদের দেশে আসে তাহলে আমাদের কিন্তু চরম ক্ষতি হবে। তৃতীয় ওয়েভ আরম্ভ হতে পারে।’

গবেষকদের মতে, দেশে গত মার্চ মাস থেকেই করোনার সেকেন্ড ওয়েভ হানা দেয়। আক্রান্তের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মৃত্যুর হার। তবে করোনার সেকেন্ড ওয়েভে এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামের কোথাও ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়নি।

প্রথম ও দ্বিতীয়ের পর তৃতীয় ওয়েভ মোকাবেলায় স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানালেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন।

ওয়াই এ/এডিবি/