ন্যাভিগেশন মেনু

খাসোগি হত্যা: মার্কিন প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান সৌদি আরবের


২০১৮ সালের অক্টোবরে সৌদি রাজপরিবারের সমালোচক এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে হত্যায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের জড়িত বলে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি আরব।

সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদনকে ‘নেতিবাচক, মিথ্যা এবং অগ্রহণযোগ্য’ মূল্যায়ন বলে উল্লেখ করেছে।

প্রতিবেদনে ভুল তথ্য ও সিদ্ধান্ত রয়েছে বলেও জানায় মন্ত্রণালয়টি। খবর রয়টার্স ও খালিজ টাইমসের।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, একদল লোক ওই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে এবং তাতে সমস্ত প্রাসঙ্গিক বিধি ভঙ্গ হয়েছে। এ ধরনের ঘটনার যেনো আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে তা নিশ্চিত করতে সৌদি সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে।

এ হত্যাকাণ্ডে প্রথমে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় সৌদি আরবের একটি আদালত। পরে তাদের সাজা কমিয়ে ৭ থেকে ২০ বছর মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সৌদি শাসক গোষ্ঠীর সমালোচক হিসেবে পরিচিত ছিলেন সাংবাদিক জামাল খাশোগি। তিনি ২০১৮ সালের অক্টোবরে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য তুরস্কের ইস্তাম্বুলস্থ সৌদি কনস্যুলেটে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতে গিয়ে নৃশংসভাবে নিহত হন।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) খাশোগি হত্যা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের দপ্তর নিজেদের ওয়েবসাইটে চার পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে দুই বছর আগের আলোচিত খাশোগি হত্যাকাণ্ডে এই প্রথম সরাসরি সৌদি যুবরাজকে দায়ী করা হয়। বলা হয়, ‘তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যা বা আটক করার জন্য পরিচালিত অভিযানে অনুমোদন দিয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।’

এমআইআর/এডিবি