ন্যাভিগেশন মেনু

একি হাল কিমের


কিম জং উন । নামটা শুনলেই বেশ পৃথুল, গোলগাল একটা চেহারা ভেসে ওঠে চোখের সামনে? তাহলে আপনি কিমের সাম্প্রতিক ছবিগুলি দেখেননি। উত্তর কোরিয়ার শাসকের নতুন লুক ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

অনলাইনে সেই ছবি দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, হল কী কিমের? তিনি কি ডায়েটিং শুরু করেছেন? নাকি এসব ক্যামেরার কারসাজি? নাকি অসুস্থ হয়ে পড়েই স্বাস্থ্য ভেঙে গিয়েছে? আপাতত কিমকে নিয়ে এমন আলোচনায় মেতে রয়েছে নেট দুনিয়া।

এমনিতে কিমকে ঘিরে রহস্যের শেষ নেই। অনেক সময়ই বেশ কিছুদিনের জন্য তিনি আড়ালে চলে যান। সেই সময় তাঁর মৃত্যুর গুজবও ছড়িয়ে পড়ে। তারপরই দেখা যায়, সশরীরে ফিরে এসেছেন উত্তর কোরিয়ার একনায়ক। যদিও এবার তিনি মোটেই অন্তর্হিত হননি। রয়েছেন চোখের সামনেই।

কিন্তু তবুও শুরু হয়েছে আলোচনা। তার আগে এক মাস অবশ্য তাঁকে দেখা যায়নি। কিন্তু সম্প্রতি সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে একটি বৈঠকে বসেন তিনি। সেই বৈঠকের যে ফুটেজ দেখা যাচ্ছে তাতেই দেখা গিয়েছে অসম্ভব রোগা হয়ে গিয়েছেন কিম।

তাঁর বাঁ হাতের কবজিকে পর্যবেক্ষণ করে দেখা গিয়েছে, ২০২০ সালের নভেম্বরের ছবিতেও সেই কবজিতে ঘড়ি কত চেপে বসে থাকত। যা এখন অনেকটাই ঢিলেঢালা।

কিমের সাম্প্রতিক এই ছবি ঘিরেই শোরগোল। ২০১১ সালে যখন কিম মসনদে বসেন, তখন তাঁর ওজন ছিল ৯০ কেজি। কিন্তু এক দশকে ৫০ কেজি ওজন বেড়ে গিয়েছিল তাঁর। গত বছরের নভেম্বরে কিমের ওজন ছিল ১৪০ কেজি।

৩৭ বছরের স্বাস্থ্য নিয়ে অবশ্য দীর্ঘদিন ধরেই নানা কানাঘুষো শোনা যায়। ২০১৪ সালে একবার তিনি প্রায় ৬ সপ্তাহ জনসমক্ষে আসেন‌নি। সেই সময় তাঁর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। উত্তর কোরিয়ার সংবাদ মাধ্যম সূত্রে আগেই বলা হয়েছিল অতিরিক্ত মেদের কারণেই হৃদরোগে ভুগছেন কিম। তাহলে কি এবার অসুস্থই হয়ে পড়েছেন কিম? নাকি সচেতন ভাবেই শরীর ফিট রাখতে বাড়তি মেদ ঝড়িয়ে ফেলেছেন?

এস এস