NAVIGATION MENU

একই ছাদনাতলায় একসঙ্গে দুজনকে বিয়ে


একদিকে বাবা-মা'র পছন্দের পাত্রী অন্যদিকে প্রেমিকা। কারও মন তো আর ভাঙ্গা যায় না! সবকিছু ঠিক রাখতে একই মণ্ডপে দুই কনেকে অগ্নিসাক্ষী রেখে গলায় মালা দিলেন ভারতের মধ্যপ্রদেশের যুবক সন্দীপ।

ঘটনা গত বুধবারের (৮ জুলাই)। মিঞা-বিবি জোড়া তো রাজি বটেই, তিন পরিবারও এমন ‘অভিনব’ বিয়েতে হাসিমুখে সম্মতি দিয়ে দেয়। 

ছেলে সন্দীপ উইকের জন্য বউ পছন্দ করে রেখেছিলেন মা-বাবা। আর অন্যজন পাত্রের প্রেমিকা। গ্রামবাসীদের উপস্থিতিতে সমস্ত আচার-রীতি মেনেই পরিণয় সম্পন্ন হলো। কিন্তু একই মণ্ডপে একসঙ্গে দুই কনেকে বিয়ে? এ কীভাবে সম্ভব?

জানা যায়, ভোপালে পড়তে গিয়ে হোশাঙ্গাবাদ জেলার তরুণীর সঙ্গে আলাপ হয় সন্দীপের। ধীরে ধীরে ভালবাসা নিবিড় হয়। বাড়ে ঘনিষ্ঠতা। আর সেই সময়ই তখন বাড়িতে তার জন্য পাত্রীর খোঁজ শুরু করে দেন সন্দীপের মা-বাবা। কোয়লারি গ্রামের এক তরুণীকে বউমা হিসেবে মনেও ধরে তাদের। ঠিক করে ফেলেন, এই মেয়ের সঙ্গেই ছেলের বিয়ে দেবেন। কিন্তু ছেলে তো বাড়ি ফিরে সব কথা শুনে থ। তার যে প্রেমিকাকেই জীবনসঙ্গিনী হিসেবে চাই।

তাহলে উপায়? সন্দীপ ও তার পরিবার পঞ্চায়েতের শরণাপন্ন হন। পঞ্চায়েত প্রধান জানিয়ে দেন, দুই তরুণীর বিয়েতে আপত্তি না থাকলে উভয়কেই স্ত্রীর মর্যাদা দিতে পারেন সন্দীপ। এমন সিদ্ধান্তে রাজি হয়ে যায় তিন পরিবারই। ব্যস, বাকিটা তো ছিল সময়ের অপেক্ষা।

তবে গল্পের হ্যাপি এন্ডিংয়ে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পুলিশ। আইন ভেঙে এমন কাজ করায় ঘটনার তদন্তে নেমেছেন তারা। 

পুলিশের তরফে জানানো হয়, করোনা আবহে বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য প্রশাসনের অনুমতির প্রয়োজন। কিন্তু পাত্র-পাত্রী কোনওপক্ষই অনুমতি চায়নি। তাই গোটা অনুষ্ঠান কিভাবে হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুত্র: সংবাদ প্রতিদিন

এডিবি/