ন্যাভিগেশন মেনু

ইন্দোনেশিয়া ও পূর্ব তিমুরে বন্যা ও ভূমিধ্বসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩


ইন্দোনেশিয়া ও প্রতিবেশী দেশ পূর্ব তিমুরে বন্যা ও ভূমিধ্বসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩ জনে পৌঁছেছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বহু মানুষ।

সোমবার (৫ এপ্রিল) ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র রদিতিয়া দজাতি মেট্রো টিভিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

তিনি বলেন, ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে সারাদিনই চলে উদ্ধার তৎপরতা। ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যায় উদ্ধারকারী দল।

রদিতিয়া দজাতি জানান, ‘পূর্ব ফ্লোরস দ্বীপে এখনও অনেকেই মাটিচাপা পড়ে আছেন। এখন পর্যন্ত ৫৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। প্রতিবেশী দেশ পূর্ব তিমুরেও মারা গেছে ২৭ জন। এ দুর্যোগে এখনো আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছে।‘

নিখোঁজদের উদ্ধারে চলছে তৎপরতা। দুর্যোগ কবলিত এলাকার কয়েক হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দেশটির প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো জানান, দুর্গতদের সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া বন্যাকবলিতদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, এই দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় যারা স্বজন হারিয়েছেন আমি তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আমি আপনাদের বর্তমান অবস্থা বুঝতে পারছি। একটা কঠিন সময় পার করছেন আপনারা। বন্যাকবলিতদের সহায়তায় কোনো ত্রুটি রাখা হবে না।

এর আগে রবিবার (৪ এপ্রিল) ভারী বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধ্বসে হতাহতের সংখ্যা বাড়ছেই।

কর্তৃপক্ষ বলছে, বন্যা ও ভূমিধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ। বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

দেশ দু’টিতে প্রবল বর্ষণের ফলে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয় এবং ভূমিধসের সৃষ্টি হয়। এর ফলে হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যায়।

দেশটির আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহ ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। এতে পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ওয়াই এ/এডিবি/