ন্যাভিগেশন মেনু

আজও রিকশা-অটোরিকশার দাপট, ভোগান্তিতে কর্মজীবী মানুষ

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনের দ্বিতীয় দিন চলছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকাল থেকে অফিস ও জরুরি কাজে বাইরে বের হওয়া মানুষদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। রিকশা ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা ছাড়া কোনও পরিবহনই পাচ্ছেন না রাজধানীবাসী।

সকালে রাজধানীর বাসস্ট্যান্ডগুলোতে অফিসগামী মানুষদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকার সুযোগে অফিসগামী যাত্রীদের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে দাপট দেখাচ্ছে রিকশা, সিএনজি চালিত অটোরিকশারা। অনেকেই গন্তব্যে পৌঁছাতে বেশি ভাড়া দিয়ে যেতে হচ্ছে। এখন রাজধানীবাসীর একমাত্র ভরসা এই রিকশা, সিএনজি অটোরিকশায়।

যাত্রাবাড়ী থেকে রিকশায় করে গুলিস্তান যাচ্ছিলেন বেসরকারি বীমা কর্মকর্তা উম্মে সালমা। তিনি বলেন, আগে লাগতো ৬০ থেকে ৮০ টাকা, এখন সে ভাড়া দিতে হচ্ছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। যখন সিএনজি নিতে চাইলাম সে ভাড়া শুনে তো তাজ্জব। ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা ভাড়া চাইলো সিএনজি চালক। রিকশার চাহিদা বেশি থাকায় রিকশাচালকরাও সুযোগ বুঝে বেশি ভাড়া নিচ্ছেন বলে অভিযোগ যাত্রীদের।

রাজধানীর তেজগাঁও, ফার্মগেট, বিজয় স্মরণী, রমনা, বাংলামোটর, শাহবাগ, নিউমার্কেট এলাকায় একই চিত্র দেখা গেছে।

অনেকের অফিস খোলা থাকায় বাইরে যেতে হচ্ছে। আবার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বা ওষুধের জন্যও কেউ কেউ বের হচ্ছেন। এদের অনেকেই বয়স্ক বা রোগী। তাদের পক্ষে দীর্ঘ পথ হেঁটে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই গন্তব্যে পৌঁছাতে বেশি ভাড়া দিয়ে যেতে হচ্ছে। 

রিকশা ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার চাহিদা বেশি থাকায় অটোরিকশাচালকরা ভাড়া বেশি নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ ব্যাংক কর্মকর্তা আদনানের। তিনি বলেন, আগে মোহাম্মদপুর থেকে শাহবাগ এ যেতে ১৫০ টাকা সিএনজি ভাড়া লাগতো। এখন সিএনজি চালকরা ৩২০-৩৫০ টাকাও চাইছেন। এতো বেশি ভাড়া দিয়ে কিভাবে যাবো?

সিএনজিচালক সাচ্চু ভাড়া বাড়িয়ে নেয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, গণপরিবহন বন্ধ থাকার কারণে তাদের আয় একটু বেশি হচ্ছে। তবে খরচও বাড়ছে। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বেশি ভাড়ায় যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছেন।

 ওআ/