NAVIGATION MENU

হাবিবুল্লাহ মিজান

হাবিবুল্লাহ মিজান
May 28, 2020

ব্যবসা-বাণিজ্য

ন্যাশনাল ব্যাংক ও পরিচালনা পর্ষদকে হেয় করতেই এই মামলা

ন্যাশনাল ব্যাংক ও পরিচালনা পর্ষদকে হেয় করতেই এই মামলা

সিকদার গ্রুপের দুই পরিচালকের বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও অতিরিক্ত এমডি নির্যাতিত হওয়ার অভিযোগে যে মামলা দায়ের হয়েছে তার সত্যতা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠেছে। সিকদার গ্রুপের মালিকানাধীন দেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড ওই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।সঠিক তদন্ত হলে প্রকৃত দোষী মিথ্যা মামলার বাদী এবং এক্সিম ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদকে আইনের ও ন্যায় বিচারের সম্মুখীন হতে হবে বলে মনে করেন ব্যাংকটির কর্মকর্তারা।ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের আইন উপদেষ্টা ও সিনিয়র আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার বুধবার এক লিখিত ব্যাখ্যায় বলেন, এক্সিম ব্যাংক থেকে ৫০০ কোটি টাকা ঋণের আবেদন নিয়ে সিকদার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রন হক সিকদার ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানায় একটি মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রনোদিত মামলা করেছেন ব্যাংকটির পরিচালক লেঃ কর্নেল (অবঃ) সিরাজুল ইসলাম।অথচ রন হক সিকদার এক্সিম ব্যাংককের কাছে ৫০০ কোটি টাকার ঋণের কোন লিখিত আবেদনই করেননি। বরং মামলার বাদী এক্সিম ব্যাংকের পরিচালক ও তাঁর মেয়ে বিভিন্ন সময়ে ঋণ সুবিধা নিয়েছেন সিকদার গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে। সর্বশেষ গত ১৩ মে এক্সিম  ব্যাংকের পরিচালক ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে ৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন। গত ৭ মে  দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা  সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ঘটনার মিথ্যা বিবরণ দেখিয়ে সিকদার গ্রুপের দুই পরিচালকের বিরুদ্ধে কর্নেল (অবঃ) সিরাজুল ইসলাম মামলা দায়ের করেন।বরং এক্সিম ব্যাংকের পরিচালক এবং তাঁদের আত্মীস্বজনরা বিভিন্ন সময়ে ঋণের  উপযুক্ত জামানত ব্যতিরেকেই ঋণ নিয়েছেন। সর্বশেষ দেশের বর্তমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে এক্সিম ব্যাংকের  একজন পরিচালক ও তাঁর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বিপুল অঙ্কের ঋণ সুবিধার জন্য আবেদন করেন সিকদার গ্রুপ অব কোম্পানির মালিকানাধীন ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের কাছে।অথচ মামলায় রন হক সিকদারকে এক্সিম ব্যাংক থেকে ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার আবেদন উল্লেখ করে অভিযোগ করা হয়। এ ধরণের কোন প্রমাণ বাদী দেখাতে পারবেন না।মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ৭ মে রন হক সিকদার ও ন্যাশনাল ব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তা এক্সিম ব্যাংকের গুলশান এভিনিউ শাখায় গিয়েছেন। এই অভিযোগেরও কোন ভিত্তি নেই। বাস্তবে ওই দিন রন...


Mar 31, 2020

বাংলাদেশ

পথচারীদের ফুল উপহার দিয়ে ঘরে ফেরাচ্ছে সেনাবাহিনী

পথচারীদের ফুল উপহার দিয়ে ঘরে ফেরাচ্ছে সেনাবাহিনী

করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে সারাদেশে লকডাউন চলছে। ফাঁকা রাস্তাঘাট। বন্ধ গণপরিবহণ। জনগণকে সচেতন রাখার অংশ হিসেবে পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেলাসহ বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলার আটটি উপজেলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন তাদের সার্বিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।  বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন কক্সবাজার জেলার টেকনাফ এবং মেরিন ড্রাইভেও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করছেন।সেনাবাহিনীর এই আচরণ খুব ভালোভাবে নিয়েছে জনসাধারণ। ধমক না দিয়ে যে সুন্দরভাবে বললেও কাজ হয় সেটাই আবারো প্রমাণ হচ্ছে। ফুল দিয়ে বলা হচ্ছে- আপনারা ভালো কাজ করছেন, সবার জন্য, নিজের জন্য। এজন্য সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আপনাদের আন্তরিক ধন্যবাদ।বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৩ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের লেঃ কর্নেল  রুম্মান মাহমুদ বাংলাদেশ পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।সেনা সদস্যরা বলছেন, সকলে ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন, জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হবেন না, আতঙ্ক না ছড়িয়ে অন্যকে সহায়তা করুন। টহলকালে সেনাবাহিনী হ্যান্ড মাইক দিয়ে জনসাধারণকে কোন ধরনের গুজবে কান না দিয়ে ঘরে থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি আতঙ্কিত না হওয়ার এবং সচেতন ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন সেনাসদস্যরা।এছাড়া হোমকোয়ারেন্টাইনের নিয়ম মেনে চলতে অনুরোধ করা হয় মাইকিংয়ে।  এক সেনা কর্মকর্তা বলেন, করোনা সচেতনতায় ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে কাজ করছেন সেনা সদস্যরাপাশাপাশি সেনা সদস্যরা এলাকায় জীবাণুনাশক ছিটাচ্ছে। পরিস্থিতি অনুকূলে না আসা পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে রামু সেনানিবাস সূত্র জানিয়েছে।এছাড়া কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন রাস্তা-ঘাটে সেনাবাহিনীর সদস্যদের দেখা গেছে পথচারীদের হাতে ফুল দিয়ে বাড়ি ফেরার অনুরোধ করতে।শনিবার (২৮ মার্চ) কক্সবাজার সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁও বাজার ও বাস স্টেশনে এধরনের দৃশ্য দেখা গেছে। সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগকে সম্মান জানিয়ে ঘরে ফিরেছেন পথচারীরাও।ঈদগাঁও বাস স্টেশনে রিক্সা নিয়ে উপস্থিত ছিলেন মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর এক সদস্য আমার দিকে এগিয়ে আসতে দেখে ভয়ে আমার হাত পা কাঁপছিল। কিন্তু সেনা সদস্য আমাকে হাতে ফুল দিয়ে সাহস যুগিয়ে বললেন চাচা, ভয় নেই। যদি সম্ভব হয় বাড়ি থেকে একটু কম বের হবেন।রিক্সা চালক মনিরুজ্জামান বলেন, গরীবের প্রতি সেনাবাহিনীর এমন ভালোবাসা দেখে আমার চোখে পানি চলে আসে।...


Dec 10, 2019

অপরাধ

বিয়ের আসরে বসেও অফিস!

বিয়ের আসরে বসেও অফিস!

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়ণাধীন ঢাকা শহর সন্নিকটবর্তী এলাকায় ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকল্পে জনবল নিয়োগেও ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এসেছে।তিনি তাঁর ভাইকে কোন নিয়োগ বিজ্ঞাপন ছাড়াই কর্মক্ষেত্রে নিয়োগ দিয়েছেন। তার ভাগ্নেকেও নিয়োগ দিয়ে অনেকটা বসিয়ে বসিয়ে মাসের পর মাস সরকারি তহবিল থেকে টাকা দিচ্ছেন।শুধু তাই নয়, ব্যক্তিগত গাড়ির ড্রাইভারকেও প্রকল্পে নিয়োগ দিয়ে প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে অভিযোগ এসেছে।প্রকল্পে কম্পিউটার অপারেটর দুই জন নিয়োগ দেয়ার বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছিল। এক বছর পর একজন চলে যাওয়ায় শাহরুলকে নিয়োগ দেওয়া হয় কোন বিজ্ঞাপন ছাড়াই।আগের নিয়োগের সময় শাহরুলকে ৩য় করে রাখা হয়েছিল। শাহরুল ১৫ নাম্বারের কম্পোজ পরীক্ষায় মাত্র ৪ পেয়েছিল। তাকে ভাইবা পরীক্ষায় বেশি নম্বর দিয়ে ৩য় করা হয়।নিয়ম অনুযায়ী যে কোন নিয়োগের অপেক্ষমান তালিকার ৬ মাস কার্যকারীতা থাকে। সেক্ষেত্রে এ নিয়োগের জন্য পুনরায় বিজ্ঞাপনের প্রয়োজন ছিল। তবে এ ক্ষেত্রেও কোন নিয়ম- নীতির তোয়াক্কা করা হয়নি। আমিরুল তাঁর ভাইকে এভাবে নিয়ম ভঙ্গ করে নিয়োগ দিয়েছে।শাহারুল এ প্রকল্পের কম্পিউটার অপারেটর হয়েও পিডির ব্যক্তিগত প্রকল্পের অফিস করছেন। কম্পিউটার অপারেটর শাহরুলের বিবাহের দিন তাকে কর্মক্ষেত্রে দায়িত্বরত দেখানো হয়। কিন্তু সেদিন তিনি যশোর বিয়ের আসরে ছিলেন এবং ৯দিন পর অফিসে আসেন। তবে পুরো বেতনই গ্রহণ করেন প্রকল্প থেকে।পিডি তাঁর ভাগ্নে মোঃ তৌফিকুর রহমানকে ক্যাশ পিয়ন হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে, তবে কাজ না করেও প্রতি মাসে বেতন তুলছেন। সেখানে ক্যাশ পিয়নের কাজ করছেন পরিচ্ছন্নতা কর্মী মোঃ মনিরুল ইসলাম। তবে বেতন যাচ্ছে তৌফিকের পকেটে। নিজের ভাই ও ভাগ্নেকে প্রকল্পে নিয়োগ দিয়ে পুরো প্রকল্প  নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি।প্রকল্প দপ্তর থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে ৬/১১ ( ঢাকা মহানগরীতে ৬ টি মহাবিদ্যালয় ও ১১ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্প ) প্রকল্পে আমিরুলকে সহায়তাকারী সরোয়ার হোসেনকে হিসাব রক্ষক পদে নিয়োগ দেয়ার জন্য হিসাব রক্ষক পদে আবেদনকারীদের ২০১৮ সালের নিয়োগ হুমকি দেয়া হয়।এ কারণে হিসাব রক্ষক পদে লিখিত পরীক্ষায় কেউ উপস্থিত হয়নি। ৬/১১ প্রকল্প ১ বছর পর প্রকল্প মেয়াদ শেষ হলে ২০১৯ সালের এপ্রিল...


Dec 09, 2019

অপরাধ

প্রকল্প পরিচালকের গাড়ী বিলাস

প্রকল্প পরিচালকের গাড়ী বিলাস

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়ণাধীন ঢাকা শহর সন্নিকটবর্তী এলাকায় ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে  প্রকল্পের ১১২৪ কোটি টাকার বড় অংশ লোপাটের আয়োজন করার অভিযোগ এসেছে। এই প্রকল্পে তিনি  দুইটি গাড়ী ক্রয়েও  ৩৩ লক্ষ আশি হাজার টাকার অপচয় করেছেন বলে অভিযোগ।প্রকল্প সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্প পরিচালক তার নিজের জন্য নির্ধারিত জিপ গাড়ী ক্রয়ের জন্য ৫৫.২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ থাকলেও ডিপিপি’কে ক্রস করে ৯১.২৬ লক্ষ টাকায় মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত পাজেরো কিউএক্স মডেলের ঘ-১৫-৪৫৯২ জিপ গাড়ীটি ক্রয় করেছেন। তিনি ৫ম গ্রেডের কর্মকর্তা অর্থাৎ সহযোগী অধ্যাপক হওয়া সত্ত্বেও মন্ত্রীদের জন্য বরাদ্দকৃত মডেলের গাড়ী ক্রয় করে ব্যক্তিগত কাজেও ব্যবহার করছেন।  আরো জানা গেছে যে, প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত হায়েচ গাড়ী ক্রয়ে ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ থাকলেও ৪৩.৩১ লক্ষ টাকায় হায়েচ ক্রয় করেন। এখানেও প্রকল্প পরিচালক তিন লক্ষ একত্রিশ হাজার টাকা বেশি ব্যয় করেছেন। এতে করে দুইটি গাড়ী ক্রয়ে মোট প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা বেশি খরচ করা হয়েছে। এ বিষয়ে অডিট আপত্তির চিঠির মিথ্যা উত্তর দেয়া হলেও ফাইল নোটে তিনি কোন প্রমানই রাখেননি।জিপ গাড়ী ও হায়েচ গাড়ী দুইটি পিডি প্রকল্প পরিচালক তার পারিবারিক কাজে তাঁর মেয়ে ও স্ত্রী ব্যক্তিগত ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ। জিপ গাড়ীতে মাসে তের হাজার টাকার তেল খরচ করার নিয়ম থাকলেও প্রতি মাসে প্রায় ত্রিশ হাজার টাকা তেল এবং সাতাশ হাজার টাকার গ্যাস খরচ করে চলেছেন। তিনি নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা করেন না। প্রকল্পের কাগজপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, প্রকল্প পরিচালক ৩০/০৭/২০১৮ তারিখ থেকে ১২/০৮/২০১৮ তারিখ মোট ১৪দিন এবং ২৪/০৬/২০১৯ তারিখ থেকে ২৯/০৬/২০১৯ তারিখ পর্যন্ত ০৬দিন সর্বমোট ২০ দিন বর্হি:বাংলাদেশ ছুটি’তে থাকলেও জিপ গাড়ী তার পরিবারে ব্যবহারের জন্য তেল খরচ হয় ত্রিশ হাজার টাকা, যা নিয়মিতের চেয়েও বেশি হয়েছে। দুটি গাড়ীই প্রকল্প পরিচালকের মেয়ে চার-পাঁচ জন শিক্ষকের নিকট প্র্রাইভেট পড়তে এবং স্ত্রী’র সকল কাজে সপ্তাহে সাতদিন দিনরাত ব্যবহার করেন।প্রকল্প পরিচালকের ব্যক্তিগত  কয়েকটি নির্মাণ প্রকল্প ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার রামচন্দ্রপুর মৌজায় চলমান থাকায় তিনি সরকারি গাড়ি প্রায়শই...


Dec 08, 2019

অপরাধ

অগ্রগতি ১ %,কিন্তু জমির দাম দ্বিগুণ

অগ্রগতি ১ %,কিন্তু জমির দাম দ্বিগুণ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে ঢাকা শহর সন্নিকটবর্তী এলাকায় ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন   প্রকল্পে ২০ একর জমির দাম নির্ধারণ ছিল চারশ কোটি টাকা।কিন্তু দুই বছরে প্রকল্পের অগ্রগতি ১ % না হলেও নতুন করে জমির দাম দ্বিগুণ করে কোটি কোটি টাকা লুটপাটের আয়োজন চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে,  ঢাকা জেলার নবীনগরের পাথালিয়া, আশুলিয়ার বাইপাইল, ধামরাই উপজেলার গাওয়াইল, হোমায়েতপুরের বিলামালিয়া, জোয়ারসাহারা, সাতারকুল ও কেরানীগঞ্জের পশ্চিমদী এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার পূর্বাচলের ১৭ নম্বর প্লট, সাইনবোর্ড এলাকার জালকুড়ী এবং চিটাগাং রোডের খোদ্দঘোষপাড়া এলাকায় মোট ১০ টি হাই স্কুল স্থাপন করা হবে।উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা ( ডিপিপি) অনুযায়ী, প্রতিটি বিদ্যালয় ভবন হবে ১০ তলা।  প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় ধরা হয়েছে ২০১৭ সালের জুন থেকে ২০২০ সালের জুন পর্যস্ত।প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছিল ৬৭৩ কোটি ৪৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ের জন্য দুই একর করে মোট ২০ একর জমি বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা ।কিন্তু প্রকল্পের অগ্রগতি ১% না হলেও ডিপিপির ৪০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে আরডিপিপিতে   একই পরিমাণ জমির দাম ৭৫০ কোটি টাকা করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর থেকে শিক্ষা মন্ত্রাণালয়ে পাঠানো হয়েছে।দ্রুত টাকা লুটপাটের জন্য একটি প্রভাবশালী দুর্নীতিবাজ চক্র আরডিপিপিটি এই সপ্তাহেই  জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির ( একনেক) কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানোর চেষ্টা করছে।ডিপিপিতে প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছিল৬৭৩ কোটি ৪৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। একনেক সভায় অনুমোদনও দেয়া হয়েছিল। কিন্তু নতুন প্রস্তাবে ১,১২৪ কোটি টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এভাবেই চলছে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার প্রক্রিয়া।এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম বলেন, “ জমির ক্ষতিপূরণের রেট আগে ছিল জমির দামের দেড়গুণ। কিন্তু সরকার সেটা বাড়িয়ে বর্তমানে তিন গুণ করা হয়েছে। তাই  সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনায় জমির দাম বেড়ে গেছে।’তাছাড়া জমির দাম নির্ধারণ করেছে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক অফিস। এখানে আমার দায় নেই বলে তিনি আরো যোগ করেন।প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে ১০টি স্কুলের জন্য প্রয়োজনীয় ২০...


Dec 05, 2019

জাতীয়

তালা-চাবি কান্ড: নতুনের চেয়ে মেরামতেই ব্যয় ৪ গুন

তালা-চাবি কান্ড: নতুনের চেয়ে মেরামতেই ব্যয় ৪ গুন

আলমারির একটা তালা-চাবির দাম কত? জবাবে ঢাকার দোকানিরা জানালেন-আকার ও গুনগত মানভেদে এর বাজার মূল্য এক থেকে বড়জোর তিন হাজার টাকা।অথচ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে ’ঢাকা শহর সন্নিকটবর্তী এলাকায় ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পে একটি আলমারির তালার চাবির শুধু মেরামত ব্যয়ই দেখানো হয়েছে ছয় হাজার দুইশত টাকা। আর টেবিলের তালার চাবির মেরামত ব্যয় ধরা হয়েছে বারোশ টাকা।সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের অভিযোগ, প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম সরাসরি এই পুকুর চুরির সঙ্গে জড়িত। আমিরুল ইসলাম একজন সহযোগি অধ্যাপক, যিনি ২০ তম বিসিএস (সমাজ বিজ্ঞান) এর শিক্ষা ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা।ওই প্রকল্পে ঘুষ ও দূর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে আমিরুলের বিরুদ্ধে বুধবার দূর্নীতি দমন কমিশনে একটি লিখিত আবেদন দিয়েছেন এক ব্যক্তি। অভিযোগের একটি কপি বাংলাদেশ পোস্টের কাছে এসেছে।অভিযোগে বলা হয়েছে, আমিরুল ইসলাম প্রায়ই গাড়ী,আসবাবপত্র,কম্পিউটারসহ বিভিন্ন মেরামত বাবদ ভূয়া বিল ভাউচার করে টাকা উত্তোলন করেন। চলতি অর্থ বছরে ৩১, ৩২, ৩৩, ৪২ ও ৪৩ নম্বর বিলের বিপরীতে তিনি ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা উঠিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে এসব বিলের কোন অস্তিত্ব নেই।অভিযোগ উঠেছে আসবাবপত্র মেরামতসহ বিভিন্ন কাজের নামে ভূয়া বিল দেখিয়ে তিনি এসব টাকা আত্মসাৎ করেন। বাস্তবে ওই প্রকল্পে কোন আসবাব মেরামত করা হয়নি। সবই নতুন বলে প্রকল্প সূত্র জানিয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় ওই প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৬৭৩ কোটি ৪৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। পরে এর ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১১শ ২৪ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।পরিচয় গোপন রাখার শর্তে একাধিক সূত্র বলছে একটি তালা চাবির মেরামতে যদি এত বড় দুর্নীতি হয়,তাহলে অন্যান্য ক্ষেত্রেও বড় ধরনের দূর্নীতি হওয়া অমূলক নয়। সঠিক তদন্ত করলে প্রকৃত দূর্নীতির চিত্র পাওয়া যাবে।বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আমিরুল ইসলাম বাংলাদেশ পোস্টকে বলেন তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সবই মিথ্যে।...


Nov 20, 2019

জাতীয়

সাউথ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশী নারী পুলিশের কৃতিত্ব

সাউথ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশী নারী পুলিশের কৃতিত্ব

১৩ তম সাউথ এশিয়ান গেমস-২০১৯ বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য "ডেপুটি সেফ দ্য মিশন" মনোনীত হয়েছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার ও বাংলাদেশ জুডো ফেডারেশনের সহ-সভাপতি সৈয়দা জান্নাত আরা।বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে ।এসপি জান্নাত আরাকে অভিনন্দন জানিয়ে উক্ত চিঠিতে বলা হয়েছে, "বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন কর্তৃক উক্ত গেমসে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আপনাকে বাংলাদেশ দলের 'ডেপুটি সেফ দ্যা মিশন' হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে,যা আপনার ও আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত গৌরবের এবং সম্মানের।"আগামী ১-১০ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীস্টাব্দ তারিখ পর্যন্ত নেপালের কাঠমান্ডু এবং পোখারা শহরে ১৩ তম সাউথ এশিয়ান গেমস-২০১৯ অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত গেমসে বাংলাদেশ হতে ২৫ টি ক্যাটাগরীতে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাসহ ৬৩০ সদস্য বিশিষ্ট একটি দল অংশগ্রহণ করবে।...


Nov 17, 2019

জাতীয়

১২শ টাকার যন্ত্রাংশ ৩৬ লক্ষ টাকা দিয়ে কিনেছে বিআইডব্লিউটিসি

১২শ টাকার যন্ত্রাংশ ৩৬ লক্ষ টাকা দিয়ে কিনেছে বিআইডব্লিউটিসি

ফেরী মেরামতের জন্য ২০০ টাকা দামের ‘কাপসীল’ নামে একটি যন্ত্রাংশ ৬ লাখ টাকা দিয়ে কিনেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি)। এর ফলে ৬ টি কাপসিলের পেছনে ৩৬ লাখ টাকা ব্যয় করেছে রাষ্ট্রায়ত্ব এই সংস্থাটি। অথচ এর বাজার দর মাত্র ১২শ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির এমন দূর্নীতি বহুল আলোচিত বালিশ কান্ডকেও হার মানিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিষ্ঠানটির একজন কর্মকর্তা বলেন ওই সময় কাপ সীলের সাথে আরও প্রায় ২০০ প্রকারের মালামাল কেনা হয়। অন্যান্য মালামাল কেনাকাটার ক্ষেত্রেও এমন দূর্নীতি হতে পারে বলে তিনি আশংকা করছেন।তিনি আরও বলেন শাহ্ পরাণ পুনর্বাসন মেরামত ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮ কোটি ১০ লক্ষ টাকা। অথচ প্রথম শ্রেণীর একটি নতুন ফেরী কাবেরী তৈরির খরচ হয়েছে প্রায় ৭ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা।বাংলাদেশ পোস্টের অনুসন্ধানে দেখা গেছে বিআইডব্লিউটিসিতে শক্তিশালী চক্র রয়েছে যারা দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের অনিয়ম দূর্নীতি করে আসছে। বিষয়টি এমন যে, অনিয়ম-দূর্নীতিই তাদের কাছে নিয়মে পরিণত হয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে ফেরীতে ’কাপ সিল’ নামে ক্ষুদ্র একটা যন্ত্রাংশ থাকে। স্থানীয়ভাবে রাবার দিয়ে তৈরি করা হয় এটি। ক্ষুদ্র এই যন্ত্রাংশটির আনুমানিক বাজার মূল্য মাত্র ২শ টাকা। অথচ কয়েক বছর আগে শাহ পরান নামে একটি ফেরী মেরামতের জন্য এটি ৬ লাখ টাকা দিয়ে কেনা হয়। দূর্নীতির এমন খবর পেয়ে ছয় বছর আগে বিআইডব্লিউটিসি এমপ্লয়েজ এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ এমদাদ হোসেন দিপু লিখিত অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।এতে বলা হয়,  দুশো টাকা করে ছয়টি কাপ সীলের মুল্য প্রায় ১২শ টাকা। কিন্তু ফেরী শাহ পরাণ পুনর্বাসনে পরিশোধিত ভাউচার বিলে প্রতিটি কাপ সীল ৬ লক্ষ টাকা হিসাবে মোট ৩৬ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে। শাহ্ পরাণ মেরামতের একটি আইটেমেই প্রায় ৩৫ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকার অনিয়ম হয়েছে।জানতে চাইলে এমদাদ হোসেন দিপু বাংলাদেশ পোস্টকে বলেন ‘২০১৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তিনি এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করেন। যতদূর জানি, এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন,“ এটি আসলে অনেক পুরাতন ঘটনা। তখন আমি এই দায়িত্বে ছিলাম না। তারপরেও আমি...


Oct 29, 2019

জাতীয়

কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স এর ৪টি ইউনিটকে রেজিমেন্টাল কালার প্রদান

কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স এর ৪টি ইউনিটকে রেজিমেন্টাল কালার প্রদান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স এর রেজিমেন্টাল কালার প্রদান অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (২৯-১০-২০১৯) ইঞ্জিনিয়ার সেন্টার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স এর রেজিমেন্টাল কালার প্রদান অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (২৯-১০-২০১৯) ইঞ্জিনিয়ার সেন্টার অ্যান্ড স্কুল অব মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ারিং, কাদিরাবাদ সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হয়।সেনাবাহিনী প্রধান এবং কর্নেল কমান্ড্যান্ট, কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স জেনারেল আজিজ আহমেদ, বিএসপি, বিজিবিএম, পিবিজিএম, বিজিবিএমএস, পিএসসি, জি রেজিমেন্টাল কালার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং সেনাবাহিনী তথা দেশমাতৃকার সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স এর ইউনিটসমূহকে রেজিমেন্টাল কালার প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই সূত্র ধরে কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্সের ১ ও ৮ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন এবং ৫ ও ৭ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন আজকের কালার প্যারেডে অংশগ্রহণ করে এবং প্রধান অতিথির নিকট হতে আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিমেন্টাল পতাকা গ্রহণ করেন। সেনাবাহিনীর সামরিক ঐতিহ্য অনুযায়ী যে কোন ইউনিটের জন্য রেজিমেন্টাল কালার প্রাপ্তি অত্যন্ত গৌরবের বিষয়।সেনাবাহিনী প্রধান তাঁর বক্তৃতায় দেশে এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্সের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং কোরের প্রতিটি সদস্যকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।তিনি উল্লেখ করেন, কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স একটি কারিগরি, সরঞ্জামাদি নির্ভর এবং বহুমুখী প্রতিভা সম্পন্ন কোর যার সহায়তা যুদ্ধক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি তিনি ভবিষ্যৎ যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, অত্যাধুনিক, বাস্তবমুখী এবং উদ্ভাবনী চিন্তা-চেতনা সম্পন্ন প্রশিক্ষণের উপরও গুরুত্বারোপ করেন।আইএসপিআরআজকের বাংলাদেশপোস্টের জাতীয় সংবাদ পেতে এখানে ক্লিক করুন।...


Oct 13, 2019

অপরাধ

দুবাইয়ে আটকের পর জামিনে সন্ত্রাসী জিসান

দুবাইয়ে আটকের পর জামিনে সন্ত্রাসী জিসান

আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান আহমেদ গত বৃহস্পতিবার বিকালে জামিনে মুক্ত হয়েছে! দুবাইয়ের রাজ পরিবারের বিশিষ্ট এক ব্যবসায়ীর জিম্মায় ওই দেশের একটি আদালত তাকে স্থায়ী জামিন দিয়েছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।জামিনে থাকা অবস্থায় জিসান দুবাই ছেড়ে অন্য কোন দেশে যেতে পারবেন না বলেও আদালত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন।তবে তার মুক্ত হওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কর্মকর্তারা কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।ছবি : আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান আহমেদ ।দুবাইয়ের একটি সূত্র জানায়, গত পহেলা অক্টোবর জিসান দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সময় পুলিশ তাকে আটক করে। আগে থেকেই তার নামে বিশ্বের সর্বোচ্চ পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করা ছিল।এই সময় তার কাছ থেকে ভারতের তৈরি করা একটি পাসপোর্ট, মোবাইলসেটসহ বেশ কিছু ডলার উদ্ধার করা হয়।গত বৃহস্পতিবার দুপুরে দুবাইয়ের একটি আদালতে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে তার পক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। ওই দেশের রাজ পরিবারের এক ব্যবসায়ীর জিম্মায় জামিন দেন আদালত। তবে আদালত ঢাকার এই শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের আইনজীবি ও জিম্মাদারকে জানিয়ে দিয়েছেন, দুবাই ছেড়ে অন্য কোন দেশে যেতে পারবেন না জিসান। তাকে ওই দেশেই থাকতে হবে।নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, দুবাইয়ের আদালতে জিসানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা যথাযথভাবে প্রমাণ করা যায়নি। সেখানকার প্রতিষ্ঠিত একজন ব্যবসায়ী হিসেবে জিসানের জামিন মঞ্জুর করেন স্থানীয় আদালত।এরফলে ইন্টারপোলের আসামি জিসানকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ আপাতত থমকে যায়। জিসানের গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত করার পর সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসুদজ্জামান খান ও আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন- জিসানকে ফিরিয়ে আনতে প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।শিগগির তাকে ফেরত আনা হবে।জামিনে মুক্ত হওয়ার বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ইন্টারপোল শাখার এক কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে গতকাল তিনি বিষয়টি জানেন না বলে জানান।তবে তিনি জানান, গ্রেপ্তার হওয়ার সময় জিসানের সাথে থাকা পাসপোর্টে নাম ছিল আকবর। আমাদের তালিকায় তার নাম জিসান আহমেদ। দীর্ঘদিন ধরে সে আত্মগোপনে।২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর মধ্যে অন্যতম জিসান। ২০০৩ সালে মালিবাগ সানরাইজ হোটেলে পুলিশের দুই সদস্যকে হত্যা করে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, সাম্প্রতিক অভিযানে অবৈধ ক্যাসিনো কারবারের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে...


Sep 20, 2019

অপরাধ

‘এই পুলিশ সেই পুলিশ নয়’

‘এই পুলিশ সেই পুলিশ নয়’

ঢাকা: মাত্র পাঁচ দিন আগেই ঢাকা মহানগর পুলিশের নতুন কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম ঘোষণা করেছিলেন যে,তাঁর অধীনস্থ কোনো থানায় যদি মানুষ পর্যাপ্ত সেবা ও ভালো আচরণ না পায়,তাহলে তাদের সরিয়ে সিনিয়র অফিসারদের থানায় এনে বসানো হবে।ঘোষণা দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি তিনি। লিখিত নির্দেশ জারি করেছেন থানা পুলিশের হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে উপ-পুলিশ কমিশনারদের থানায় নিয়মিত বসার।আর এই নির্দেশ পেয়ে দ্রুত বদলে যাছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। বৃহস্পতিবার এই রকম একটি ঘটনার প্রমাণ মিলেছে রাজধানীর খিলক্ষেত থানায়। আগে মামলা করতে গেলে থানা পুলিশদের মোটা অংকের টাকা দিতে হতো বলে অভিযোগ আছে।কিন্তু এখন বাদীর অভিযোগ সঠিক হলে গভীর রাতেও অভিযোগকারীর বাসায় গিয়ে পুলিশ মামলার এজাহার নিয়ে আসছে এবং মামলা রেকর্ডও করছে সাথে সাথেই। আসামি পালানোর আশংকা থাকলে মামলা দায়ের করার আগেই গ্রেপ্তার করছে আসামিকে।রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকার ক-২০৫/১ বাড়ির চারতলার ফ্লাটে আবদুল্লাহ আল তারিক তার নিজের শিশু সন্তান আরহানকে সাবেক স্ত্রী শাওন রোমাইলার কাছে থেকে নিয়ে আসেন। ১৭ সেপ্টেম্বর সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে সন্তানকে বেদমভাবে পিটিয়ে সারা শরীর রক্তাক্ত করে দেন।শিশুটিকে বাঁশের লাঠি এবং পাইপ দিয়ে অমানবিকভাবে পিটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে শিশুটি বাসা থেকে পালিয়ে পাশেই তার ফুফু সুমাইয়ার বাসায় খালি পায়ে এবং খালি গায়ে চলে যায়।শিশুটির সারা শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন। নির্মম এই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন রাজধানীর খিলক্ষেতে ১১ বছরের এক শিশু। নির্যাতক ছেলেটির বাবা। ছবি : সংগ্রহীত সেখান থেকে তার ফুফু উবারের গাড়ী ডেকে শিশুটিকে একাই মায়ের কাছে পাঠিয়ে দেয়। ছেলেকে দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন মা শাওন শরমিলা। ছেলেকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি  করাতে গিয়ে সাবেক স্বামীর হুমকিতে পালিয়ে এসে ধানমন্ডির এক বান্ধবীর বাসায় আশ্রয় নেন।আরো পড়ুনঃনারী-শিশু নির্যাতনকারীদের জামিন বিষয়ে কঠোর হওয়ার সময় এসেছে : আইনমন্ত্রীছেলেকে তার বাবা অপহরণ করতে পারে এই ভয়ে আরহানকে আরেকজনের বাসায় রেখে আসেন। থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ দিতেও ভয় পাচ্ছেন শাওন শরমিলা। কারণ খিলক্ষেত এলাকার খুব প্রভাবশালী তাঁর স্বামী তারিকের পরিবার। এই পরিস্থিতে এগিয়ে আসে আতিয়া বিলকিস মিতু নামে শরমিলার এক বান্ধবী।সে...


Sep 02, 2019

জাতীয়

দুই পুলিশ কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বেঁচে গেলো আরেক ‘জাহালম’

দুই পুলিশ কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বেঁচে গেলো আরেক ‘জাহালম’

ঢাকা মহানগর পুলিশের দুই  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বেঁচে গেলো আরেক ‘জাহালম’।সাধারণ এক মোটর মেকানিকসের নাম মোঃ কামাল হোসেন। রাজধানীর শ্যামলীতে তাঁর মোটর সাইকেল মেরামতের গ্যারেজ রয়েছে।বাংলাদেশ পোস্টের সাথে আলাপচারিতায় তেজগাঁও ডিভিশনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ওয়াহেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।আসামি হিসাবে ভুল ব্যক্তিকে আটক এবং হয়রানীর অভিযোগে মোহাম্মদপুর থানার এএসআই জাকারিয়া এবং এসআই আলমগীরকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে ডিসি অফিসে ক্লোজড করা হয়েছে।পূর্ণ তদন্ত চলছে। তদন্তে দোষী প্রমানিত হলে তাঁদের বিরুদ্বে আরো শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।এর আগে সোনালী ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় ২৬ মামলার ভুল আসামি পাটকল শ্রমিক জাহালম প্রায় ৩ বছর কারাভোগের পর উচ্চ আদালতের নজরে আনার পর মুক্তি পান।এবার খোদ রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অর্থলোভী দুই পুলিশ সদস্যদের কারণে আরেক জাহালমের ঘটনা ঘটতে যাচ্ছিল। শুধু পিতার নাম মিল থাকার অজুহাতে ২০০৯ সালের একটি মাদক মামলায় চার্জশিটভুক্ত পলাতক আসামি মনিরের পরিবর্তে আসামি হিসেবে দ্রুতই কারাগারে যেতে হচ্ছিল ‘নির্দোষ’ মোটর সাইকেল মেকানিক মোঃ কামাল হোসেনকে।কামালের পিতার নাম মনির হোসেন। মায়ের নাম কামরুন নাহার। তাঁর জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার :৫০৮১৮৩০৫৮৯।  তার জন্ম তারিখ ১৯৮৭ সালের ২৬ নভেম্বর।অথচ আসল আসামির জন্ম ১৯৮২ সালে। আর কামাল নামে মোহাম্মদপুরে শতাধিক লোক আছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে।নিরীহ কামাল পেশায় একজন মোটরবাইক মেকানিকস। মোহাম্মদপুর থানার শ্যামলীর রিং রোডে তার নিজের একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজ রয়েছে। গত ৩০ আগস্ট বিকেলে মোহাম্মদপুর থানার শ্যামলী রিং রোডের বাদশাহ ফয়সাল ইনস্টিটিউট সংলগ্ন গলিতে চেকিংয়ের সময় এএসআই জাকারিয়া নামে এক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে আটক করেন।চেকিংয়ের সময় ভোটার আইডি দেখালে ওই কর্মকর্তা তাকে জানায় তাঁর নামে থানায় ২০০৯ সালের একটি মাদক মামলা রয়েছে।এএসআই জাকারিয়ার মোবাইলে তাকে এই সংক্রান্ত মামলার আসামির বিরুদ্ধে কথিত গ্রেপ্তারি পরোয়ানার একটি ছবিও দেখিয়ে তখুনি গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।থানায় যাচাই বাছাইকালে পুলিশ সদস্যরা জানতে পারে, যার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে সেই ব্যক্তি আটক হওয়া এই কামাল হোসেন নয়। তার নিজের নাম ও বাবার নাম মিল থাকলেও ওয়ারেন্ট ইস্যুকৃত ব্যক্তির মায়ের নাম, জন্মসন, এলাকার ঠিকানা ও পেশার কোন মিল নেই।শুধু এটাই...


Jul 29, 2019

অপরাধ

ওঁরা হজে যায় পকেট মারতে

ওঁরা হজে যায় পকেট মারতে

দেশে তারা পেশাদার চুরি, ছিনতাইকারী। তবে পবিত্র হজের সময় এলেই দুই মাসের জন্য সৌদি আরবে পাড়ি জমায় তারা। উদ্দেশ্য পবিত্র হজ পালন নয়।বিভিন্ন দেশ থেকে আসা হাজীদের ডলার, পাউন্ড হাতিয়ে নেয়ায় ছিল তাদের টার্গেট। ২০০৮ সালে ২৪ লাখ টাকা সমমূল্যের বিদেশি মুদ্রাসহ সৌদি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় চক্রের মূলহোতা মাসুদুল হক ওরফে আপেল। তিন মাস জেল খেটে দেশে ফিরে তৈরি করে নতুন পাসপোর্ট।এভাবেই পবিত্র হজের সময় এলেই সৌদি যেত সংঘবদ্ধ চক্রের ১২ সদস্য। শনিবার রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে চক্রের ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) (উত্তর)। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন ডিবি।মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মহরম আলী বাংলাদেশ পোস্টকে বলেন, চক্রটি রাজধানীতে বিশেষ করে বিমানবন্দরে আসা যাত্রীদের আত্মীয়-স্বজনদের টার্গেট করে চুরি – ছিনতাই ও পকেট মারতো।আর হজের সময় আসলেই হাজীর ছদ্মবেশে সৌদি আরব গিয়ে পকেট মারতো। দুই মাসে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে দেশে ফিরতো তারা।এডিসি মহরম আলী আরও বলেন, ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রতিবছরই তারা দুই মাসের জন্য সৌদি আরবে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে। এ বছরও তারা সৌদি আরবে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বলেও জানান তিনি।আপেলের নেতৃত্বে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র রাজধানীতে সক্রিয় রয়েছে। চক্রের প্রত্যেক সদস্যের রয়েছে পাসপোর্ট। তারা দেশে ১০ মাস চুরি-ছিনতাই করলেও হজের সময় এলেই আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা খরচ করে সৌদি চলে যায়। হাজীদের পকেট কেটে প্রত্যেকে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা নিয়ে দেশে ফিরে আসে।সংশ্লিষ্ট ডিবির একাধিক কর্মকর্তা বলেন, দেশে সারাবছর চুরি –ছিনতাই করে যা কামাতো, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি টাকা সৌদি গিয়ে দুই মাসে কামাতো চক্রের সদস্যরা। সৌদি আরবে গিয়ে পকেট কাটার অপকর্মটি শুরু করে আপেল। তার নেতৃত্বে প্রতিবছর ১০ থেকে ১২ জন সৌদি যেত এই অপকর্ম করতে।কর্মকতারা জানান, শনিবার বিমানন্দর থানার গোল চত্ত্বর এলাকার ফুটওভার ব্রিজ এলাকা থেকে চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করে ডিবি।এসময় পকেট কাটার ব্লেড ও চেতনাশক বিভিন্ন ওষুধ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিমানবনদর থানায় একটি মামলা করেন।গ্রেফতারকৃতরা হলো, সুমন...


Jul 27, 2019

অপরাধ

ভিক্ষুক সেজে ঢাকা মহানগর যুবলীগের শীর্ষনেতাকে হত্যার পরিকল্পনা

ভিক্ষুক সেজে ঢাকা মহানগর যুবলীগের শীর্ষনেতাকে হত্যার পরিকল্পনা

রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে একটি অত্যাধুনিক অস্ত্র একে ২২ রাইফেল, চারটি বিদেশী পিস্তল, একটি রিভলবার ও ৪৭ রাউণ্ড গুলি উদ্ধারসহ তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে একটি ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা নস্যাত করে দিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গোয়েন্দাদের দাবি, দুবাইয়ে অবস্থানরত একজন শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে ঢাকা মহানগর যুবলীগের একজন শীর্ষ নেতাকে হত্যার পরিকল্পনার কথা পুলিশকে জানিয়েছে গ্রেফতার হওয়া তিন সন্ত্রাসী।এমনকি গণপূর্তের একজন নামকরা ঠিকাদার ও ঢাকা মহানগর যুবলীগের একজন সহ-সম্পাদককেও হত্যার পরিকল্পনা করেছে বলে পুলিশকে জানিয়েছে সন্ত্রাসীরা।শনিবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশ্বস্ত সূত্র বাংলাদেশ পোস্টকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দেশে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে সেজন্য ওই শীর্ষ সন্ত্রাসী ও যাদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছে, তাদের নাম প্রকাশে বিরত থাকেন গোয়েন্দা সূত্রটি।গোয়েন্দা পুলিশের ওই সূত্রটি জানান, দুবাইয়ের ওই শীর্ষ সন্ত্রাসী বোটিম মোবাইল অ্যাপস ব্যবহার করে বাংলাদেশে অবস্থানরত আনিসুর রহমান আনিস ও এসএম ওমর ফারুক ললাট নামে দুই সন্ত্রাসীর সাথে কথা বলত। আনিস কিছুদিন হলো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে দীর্ঘদিন জেলে খেটে বের হয়েছে। আনিস ও ললাট উভয়ই পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির চরমপন্থী নেতা ছিলেন। আনিস একজন বোমা বিশেষজ্ঞও। তিনি বড় ধরণের বোমা তৈরিতে পারদর্শী। তার বাড়ি খুলনায়। আরেক সন্ত্রাসী এসএম ওমর ফারুক ললাট। তিনি মূলত একজন শুটার। একে ২২ রাইফেল সহ অত্যাধুনিক সব আগ্নেয়াস্ত্র চালনায় দক্ষ তিনি। এই দুই সন্ত্রাসীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ হতো ফয়সাল, জুয়েল ও রুবেলের সাথে। ডিবি সূত্রটি জানান, গ্রেফতার হওয়া তিনজনের মধ্যে খান মো. ফয়সাল বাদে জিয়াউল আবেদীন জুয়েল ও জাহেদ আল আবেদীন রুবেল সম্পর্কে দুজন আপন ভাই। জুয়েল ও রুবেল এর আগে দুবাইতে ওই শীর্ষ সন্ত্রাসীর সাথে থেকেছে। তাদের আরেক ছোটভাই সন্ত্রাসী লিয়ন এর আগে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে। প্রায় এক মাস আগে তারা এই অস্ত্রগুলো সংগ্রহ করে মজুদ রাখে।গোয়েন্দা সূত্রটি জানান, সরকার বিরোধী একটি চক্র ও কিছু রাজনৈতিক নেতা বর্তমানে অস্থিরতা না থাকায় আন্ডারগ্রাউন্ডের সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে অস্থিতিশীল পরিবেশ করতে চেয়েছেন। এই সন্ত্রাসীদের মধ্যে কেউ দেশে রয়েছে আবার কেউ বিদেশে অবস্থান করছে। দেশে আয় না...


Jul 23, 2019

জাতীয়

গণপিটুনি, দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা

গণপিটুনি, দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে একটি কুচক্রীমহল ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে ।আর তারা চাইছে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার - এমনটাই মন্তব্য করেছেন বিদগ্ধমহল।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনানুযায়ী সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো  ‘ছেলে ধরা’ গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনির ঘটনা বন্ধ করার জন্য সারা দেশে কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করেছে।সরকারের চলমান ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বাঁধা সৃষ্টির জন্য পদ্মা বহুমুখী সেতুর বিরুদ্ধে কিছু সরকারি বিরোধী গোষ্ঠী এই ভিত্তিহীন প্রচারণা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, প্রথমে বিদেশে বসে কিছু বিএনপি-জামায়াত নেতা ভুয়া ফেসবুক এবং টুইটার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই গুজব ছড়ায়।পরে জামায়াতে ইসলামি সমর্থিত ইসলামি ছাত্র শিবির ও বিএনপি সমর্থিত ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা সুসংগঠিত ভাবে এই গুজব ছড়িয়ে দিচ্ছে। কিছু সাধারণ মানুষও না বুঝে সেইগুলো শেয়ার করছে। এভাবেই গুজব এক জেলার থেকে অন্য জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে দিন দিন।পুলিশ সদর দপ্তর এক লিখিত ফরমানে সব ইউনিট প্রধান ও জেলা পুলিশ সুপারেরকে বিভিন্ন সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটের মাধ্যমে গুজব ছড়ানোকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছে।পুলিশের সদর দপ্তরের এআইজি  (অপারেশনস) সাঈদ তারিকুল হাসানের সাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি রবিবার সারা দেশে পাঠানো হয়।পুলিশ সদর দপ্তর দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক পুলিশি টইল এবং গোয়েন্দা নজরদারী বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে।শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গর্ভরনিং বডির সদস্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের সাথে অভিভাবকদের মত বিনিময় সভার মাধ্যমে জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে যেন প্রতিটি ছাত্র শুধুমাত্র তাদের অভিভাবকদের সাথে স্কুল ছেড়ে যায়।স্কুল কর্তৃপক্ষকে স্কুলে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা এবং সব ক্যামেরা যাতে সচল থাকে সেটাও নিশ্চিত করতে হবে।এই চিঠিতে গুজব রটানোরকারীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক গণ সচেতনতা সৃষ্টির জন্য চারটি পরামর্শ দেয়া হয়েছে।পুলিশকে স্থানীয়ভাবে মাইকিং করতে বলা হয়েছে, যাতে শিশু ধরার গুজব শুনামাত্র পুলিশকে অবহিত করা হয়। মাইকিং করে তাদের প্রতি আহ্বান জানানো হবে যে তারা এই গুজবে কান না দেন। স্থানীয় পুলিশ এই বিষয়ে পোস্টার এবং লিফলেট বিতরণ শুরু করছে।ছেলে ধরার গুজবের বিরুদ্ধে জন...